ঋণ খেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ে একপাক্ষিক আচরণ করেছে নির্বাচন কমিশন। একটা দলের পক্ষে বাধ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সমসাময়িক রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাধিকদের সঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘কোনো একটি দলের পক্ষ থেকে ইলেকশন কমিশনে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে বাতিল নমিনেশন বৈধ করে দেয়া হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলেও উপদেষ্টাদের মাঝে কেউ কেউ প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’
ডা. তাহের বলেন, ‘সেনা, পুলিশ, র্যাব ও আনসারসহ কাউকেই ভোট কক্ষের ভেতরে প্রবেশ অনুমতি না দিতে জামায়াতের সুপারিশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টা সম্মতি দিয়েছেন।’
ছাত্রসংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গেও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করেন জামায়াতের নায়েবে আমির। তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে ছাত্রসংসদ নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ নির্বাচন কমিশন ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে, যা অনৈতিক ও অযৌক্তিক।
বৈঠকে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের এ প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
আরডি