পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও পাবনা-৪ আসনের (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু বলেছেন, “এ নির্বাচনে যদি ভোটবিপ্লবের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে পারি, তবে ওয়াদা করছি ঈশ্বরদী-আটঘরিয়াকে উন্নয়নের রোল মডেল বানিয়ে ফেলবো। এ দুটি উপজেলা শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের দরবারেও মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।”
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে পৌর শহরের পুরাতন বাস টার্মিনালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুদ্দিন মালিথার সভাপতিত্বে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাকারিয়া পিন্টুর এমন বক্তব্যে উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দলীয় স্লোগানে জনসভা মাতিয়ে তোলেন।
বক্তব্যে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, “ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া আমার দুই চোখের মণির মতো। একটি কুচক্রী মহল আমার সব স্বপ্ন নস্যাৎ করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। দল যাকে ধানের শীষ দিয়েছে, বর্তমানে তার নেতাকর্মীরাই তার কাছে নিরাপদ নয়; তাহলে আমার প্রাণের ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার সাধারণ মানুষ তার কাছে কীভাবে নিরাপদ থাকবে?”
ভোটের পরিবেশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যে নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজমান, তাতে ভোট কারচুপির কোনো শঙ্কা নেই। এই পরিবেশে মূল প্রতিযোগিতা হবে দাঁড়িপাল্লার সঙ্গে; ধানের শীষকে আমি তেমন প্রতিযোগী মনে করছি না।” ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “১৯৯৬ সালে ধানের শীষে যে আগুন তিনি লাগিয়েছিলেন, তা ১২ ফেব্রুয়ারি মোটরসাইকেল প্রতীক নিভিয়ে দেবে, ইনশাআল্লাহ।”
আয়োজিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন— উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মান্নান সরদার, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কেনেডি মালিথা, পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তপন সরদার, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক ফজলুর রহমান এবং মোটরসাইকেল প্রতীকের নির্বাচনী কমিটিতে সদ্য যোগদানকারী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের পাবনা জেলা সমন্বয়ক আতাউর রহমান ছবি।
ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনির সঞ্চালনায় এই জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এনআই