এইমাত্র
  • চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৬ জাহাজ, পথে দুটি
  • মায়ামিকে জিতিয়ে ৯০০তম গোলের আরও কাছে মেসি
  • টিএফআই সেলে গুমের মামলায় ব্যারিস্টার আরমানের জেরা আজ
  • কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
  • ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯৪
  • আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস
  • যাত্রাবাড়ীতে পিকআপচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
  • ইরানে মার্কিন সেনা আটকের দাবি লারিজানির, ওয়াশিংটনের অস্বীকার
  • ইরানের নতুন হামলায় ২৪ ঘণ্টায় হতাহত ২২০ মার্কিন সেনা!
  • আমরা দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী টুকু
  • আজ রবিবার, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৮ মার্চ, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে মার্কিন সেনা আটকের দাবি লারিজানির, ওয়াশিংটনের অস্বীকার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ এএম

    ইরানে মার্কিন সেনা আটকের দাবি লারিজানির, ওয়াশিংটনের অস্বীকার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ এএম

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের এক সপ্তাহ পার হওয়ার পর মার্কিন সৈন্য আটক করার দাবি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মহাসচিব আলী লারিজানি দাবি করেছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাকে আটক করেছেন। তবে ওয়াশিংটন এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যাচার’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। খবর-আল জাজিরা

    বাংলাদেশ সময় রোববার দেয়া এক বিবৃতিতে আলী লারিজানি জানান, গত এক সপ্তাহে ইরান বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাকে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। লারিজানি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই বন্দি হওয়ার বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে। তবে কতজন সেনাকে আটক করা হয়েছে, কিংবা ঠিক কোন স্থান থেকে বা কীভাবে তাদের বন্দি করা হয়েছে- সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য দেননি ইরানের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা।

    ইরানের এই দাবির পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন সেনা আটকের এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরান সরকার মার্কিন সেনা আটকের যে দাবি করেছে, সেটি তাদের ধারাবাহিক মিথ্যাচার ও বৈশ্বিক প্রতারণার আরেকটি বড় উদাহরণ।’

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…