এইমাত্র
  • খানসামায় গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ
  • আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা
  • তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি প্রত্যাহার, ফার্মগেটে যান চলাচল স্বাভাবিক
  • বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, বিসিবির সিদ্ধান্ত
  • কিশোরগঞ্জে জাপার চুন্নুসহ ২৪ জনের মনোনয়ন বাতিল
  • ফুলবাড়ীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ৩ চালকের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  • গজারিয়ায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ
  • কারওয়ান বাজারে মোবাইল ব্যবসায়ী–পুলিশ সংঘর্ষ
  • বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি বাংলাদেশের, বিসিসিআই বলছে ‘অসম্ভব’
  • বহিষ্কারের পর আমার জনসমর্থন আরও বেড়েছে: রুমিন ফারহানা
  • আজ রবিবার, ২১ পৌষ, ১৪৩২ | ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    মোংলা বন্দরে ৬ মাসে ৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন পন্য খালাস

    আলী আজীম, মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
    আলী আজীম, মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

    মোংলা বন্দরে ৬ মাসে ৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন পন্য খালাস

    আলী আজীম, মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

    রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশ-বিদেশী পন্য আমদানি-রফতানিতে এগিয়ে যাচ্ছে মোংলা সমুদ্র বন্দর। চলতি অর্থ বছরে ১ কোটি ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন পন্য আমাদানি-রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে বন্দরটি। ফলে এ বন্দরকে ঘিরে অর্থনীতিতে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। 

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাবনাময় এ বন্দরটিকে ব্যাবসায়ীরা সফল ভাবে ব্যবহার করলে মোংলা সমুদ্র বন্দর শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রস্থল হবে এ মোংলা সমুদ্র বন্দর।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাসে মোংলা বন্দর দিয়ে পন্য নিয়ে ৪৪০টি বানিজ্যিক জাহাজ আগমন হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ টি কন্টেইনার বাহী জাহাজে করে বিভিন্ন প্রকারের বিদেশী পন্য আমদানী করা হযেছে। যার পন্য বোঝাই ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বন্দর দিয়ে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছিলো, সেখানে চলতি বছরের ৬ মাসে ১৭ হাজার ৪০০ টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়। একই সাথে ৬ মাসে ১৬ টি জাহাজে আমদানী হয়েছে ৫ হাজার ২২২টি  জাপানী রিকিন্ডশন গাড়ী মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস করা হয়েছে।

    মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানা, ইপিজেড এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, এতে সৃষ্টি হয়েছে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। বন্দরে আমদানী-রফতানী বৃদ্ধির পাশাপাশী বৃদ্ধি পেয়েছে বন্দরের রাজস্ব আয়ও। 

    মোংলা বন্দরের উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দর এখন বহুমুখী উন্নয়নের কাজ চলছে। বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় উন্নয়ন, অগ্রগতি আর অর্থনৈতিক সম্ভানা নিয়ে কাজ করছে সরকার। বেশ কযেকটি বড় বড় মেঘা প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পগুলো শেষ হলে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

    আরডি

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…