যশোরে জুলাইযোদ্ধা এনাম সিদ্দিকীকে (৩২) ছুরিকাঘাতে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৮ টার দিকে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুরে পীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত এনাম সিদ্দিকী এনায়েতপুর গ্রামের মৃত খন্দকার আমিন উল্লাহর ছেলে। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্বজনরা জানান, মর্নিং ওয়াকে বের হয়েছিলেন এনাম সিদ্দিকী। এনায়েতপুরের পীরবাড়ির সামনে পৌঁছানো মাত্র মুখ বাধা দুইজন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা প্রথমে তার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে বুকের ডান পাশ, বাম হাতের ডানা ও কাঁধে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে এনাম সিদ্দিকীকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ‘স্বৈরাচার সরকারের ঘাপটি মেরে থাকা সন্ত্রাসীরা এই জুলাই যোদ্ধাকে হত্যার চেষ্টা করেছে’-বলে স্বজনদের অভিযোগ।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, আহত এনাম সিদ্দিকীর অবস্থা গুরুতর। পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে তার চিকিৎসাসেবা চলছে।
চুড়ামনকাটির সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই আব্দুর রউফ জানান, জুলাইযোদ্ধা এনাম সিদ্দিকীকে ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। দুই দুর্বৃত্ত কোয়েল পাখির খাঁচা কেনার নাম করে এসে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে গেছে। কারা কি কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, জুলাইযোদ্ধা এনাম সিদ্দিকীকে ছুরিকাঘাতের খবর শুনে তাকে দেখার জন্য হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম। এ সময় তিনি তার চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।
জুলাইযোদ্ধা এনাম সিদ্দিকীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপির খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন- একটি নিরীহ, গুরুতর অসুস্থ ছেলেকে আঘাত করলো কোন কাপুরুষ? কোন সে অমানুষ?! যারা জনগনের অধিকার তথা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা, তারাই এমন অপকর্ম একের পর এক করে চলেছে।
ইখা