ইউরোপজুড়ে ব্যাপক তুষারপাতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশে বাতিল হয়েছে শত শত ফ্লাইট।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
নিহতদের মধ্যে ৫ জনই ফ্রান্সের, বাকি একজন দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ বসনিয়া অ্যান্ড হার্জিগোভিনার রাজধানী সারায়েভোর। ফ্রান্সে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের সবারই মৃত্যুর কারণ সড়কের ওপরে জমা বরফে গাড়ির চাকা পিছলে যাওয়াজনিত দুর্ঘটনা। আর সারায়েভোতে যিনি নিহত হয়েছেন, গাড়ির ওপর গাছ উপড়ে পড়া তার মৃত্যুর কারণ।
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জিগোভিনাসহ বলকান অঞ্চলের দেশগুলোতে তুষারপাতের পাশাপাশি চলছে ভারী বর্ষণও।
ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহনমন্ত্রী ফিলিপ তাবারোত গতকাল এক বিবৃতিতে আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে বলেন, সামনে আরও কয়েক দিন তুষারপাত অব্যাহত থাকবে। নাগরিকদের খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার এবং বাড়িতে থেকে কাজ করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। আবহাওয়া দপ্তর ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডের মোট ৯৬টি জেলার মধ্যে ৩৮টিতে তুষারপাতজনিত কমলা সতর্ক সংকেত জারি করে করেছে।
তুষারপাতের জেরে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্রধান বিমানবন্দর রোইসি-চার্লস ডি গাউল্লে গতকাল মঙ্গলবার ৪০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই দিন একই কারণে নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামের প্রধান বিমানবন্দর শিফোল এয়ারপোর্ট বাতিল করেছে ৪ শতাধিক ফ্লাইট।
এসব ফ্লাইট বাতিলের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। স্পেনের নাগরিক জাভিয়ের সেপুলভেদা আমস্টারডাম থেকে নরওয়ে যাওয়ার জন্য শিফোল বিমানবন্দরে এসেছিলেন। কিন্তু আসার পর কয়েক হাজার যাত্রীর মতো তিনিও আটকা পড়েন।
রয়টার্সকে বলেন, আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্বেগের কারণে কোলাহলপূর্ণ, হতাশাজনক এবং বিরক্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বিমানবন্দরে।
সূত্র : বিবিসি
এমআর-২