কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ায় হিমেল হাওয়ার দাপটে জেঁকে বসেছে শীত। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় চাদরে ঢাকা থাকছে চারদিক। শীত ও ঠান্ডার তীব্রতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন। দুপুরের পর সূর্যের তেজ বাড়লে তবে স্বস্তি বোধ করেন সাধারণ মানুষ।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার।
উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা এলাকায় মন্টু রায় ও আবুল হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে। কাজ করতে পারছিনা। কাজ না করলে তো সংসার চলে না। বাজারে জিনিসপাতির দাম। খুব চিন্তায় আছি।’
একই এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচন্ড ঠান্ডা ও শীতে আলুর খুব ক্ষতি হতে পারে, তাই ওষুধ দিচ্ছি। বিঘা প্রতি ওষুধ ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি যাচ্ছে। তাতে যদি আলুর দাম না পাই তাহলে আমরা ক্ষতির মুখে পরবো।’
কুয়াশা ও শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উওরীয় হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মানুষজন। সেই সঙ্গে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালেগুলোতে চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারী রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে । এরমধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বেশি।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা: স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ৯টি উপজেলায় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আজ রবিবার সকাল ৬ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।’
ইখা