কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. নাসির (৪০)–কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে মেঘনা থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাওরখোলা গ্রামের উত্তর পাড়ার এক শিশু (৮) এই নৃশংস ঘটনার শিকার হয়। অভিযুক্ত মো. নাসির একই গ্রামের ভেরি বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি অভিযুক্তের আত্মীয় বলে জানা গেছে। শিশুটি তার নানার বাড়িতে বেড়াতে আসলে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
তবে পরিতাপের বিষয় হলো, ঘটনার পর অভিযোগকারীরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের লেখালেখির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে মেঘনা থানা পুলিশ অভিযুক্ত নাসিরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিশুর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ভাওরখোলা ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেকেই এমন নৃশংস ঘটনার ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি এই প্রতিবেদককে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠতে থাকে।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকদের লেখালেখির ভিত্তিতে অভিযুক্তকে ভোরবেলায় আটক করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখনো ভিকটিমের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইখা