লক্ষ্মীপুরে ভোটার আইডি কার্ড চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্ততঃ ১২ জন আহত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আরমান হোসেন আহত ব্যক্তিদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর-আগে,বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের বেড়িবাঁধ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-জামায়াতকর্মী সাকিব,এমরান হোসেন, আব্দুর রহমান, শাহাদাত হোসেন খোকন। বিএনপির অনুসারীরা হলেন- মো. আব্দুল, মো. কামাল হোসেন ও রাসেল ভূঁইয়া। উভয়পক্ষের লোকজন জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিকেলে পূর্বঘোষিত জামায়াত ইসলামের মহিলা শাখার উদ্যোগে কুরআন তালিম অনুষ্ঠান ছিলো সৈয়দপুর গ্রামের বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি বাড়ীতে। ওইসময় দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা জামায়াতের নারী নেত্রীরা নারী ভোটারদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র চান। এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি-জামায়াতের বিপুলসংখ্যক লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এতে উভয়পক্ষের লোকজন তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহত জামায়াত কর্মী সাকিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বিকেলে আমাদের মহিলা শাখার উদ্যোগে একটি পোগ্রাম হয়। ওই পোগ্রামে বিএনপির লোকজন বাঁধা দেয়। খবর পেয়ে আমরা গেলে অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করে।
চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম সুমন জানান, মহিলা জামায়াতের তামিল পোগ্রামকে কেন্দ্র করে বিএনপির লোকজন আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের ৫জন আহত হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা (পূর্ব) বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফু জ্জামান শরীফ গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, জামায়াতের নারী সদস্যরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহ করে। এ সংবাদ পেয়ে আমাদের লোকজন ঘটনাস্থল গিয়ে প্রতিবাদ করলে। জামায়াতের লোকজন এসে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এজন্য সদর হাসপাতালেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এফএস