এইমাত্র
  • এক ধাপ অবনতি, দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম: টিআইবি
  • এবারের ইলেকশনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
  • বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ
  • প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাদ্য মজুত আছে, যিনি আসবেন চাপ হবে না : খাদ্য উপদেষ্টা
  • রাশেদ খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
  • ভালুকায় শেষ মুহূর্তে উত্তাপ, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
  • মবের চেষ্টা করলে শুধু কেন্দ্র নয়, আসনের ভোট স্থগিত হবে: আইজিপি
  • ভাঙ্গুড়ায় গণঅধিকার পরিষদের ১৫ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান
  • বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার
  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’: বাকৃবিতে বিভক্ত মত, তর্ক-বিতর্কে মুখর ক্যাম্পাস
  • আজ মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে শোকজ

    ঘটনার সময় কারাগারে থাকা আসামিকে গ্রেপ্তার দেখাতে পুলিশের আবেদন!

    গাজী গোফরান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (চট্টগ্রাম) প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
    গাজী গোফরান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (চট্টগ্রাম) প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৪২ পিএম

    ঘটনার সময় কারাগারে থাকা আসামিকে গ্রেপ্তার দেখাতে পুলিশের আবেদন!

    গাজী গোফরান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (চট্টগ্রাম) প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৪২ পিএম

    ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট আসামি কারাগারে বন্দি থাকা সত্ত্বেও তাকে থানা ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় জড়িত দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করায় তা বাতিল করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে তথ্য যাচাইয়ের ঘাটতি ও অসতর্কতার বিষয়টি আদেশে গুরুত্ব পেয়েছে।


    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদ সাত্তার এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।


    আদালত সূত্র জানায়, নুর হোসেন নামের এক আসামিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পাহাড়তলী থানায় সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জড়িত দেখিয়ে চলতি মাসের ২২ জানুয়ারি গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন পাহাড়তলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুজ্জামান খান। তবে শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, ঘটনার সময় নুর হোসেন কারাগারে আটক ছিলেন।


    বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়ে আদালত চট্টগ্রাম কারা কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত প্রতিবেদন তলব করেন এবং আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে পরবর্তী শুনানিতে সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন।


    পরদিন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাধ্যক্ষ সৈয়দ শাহ শরীফ আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে জানান, নুর হোসেন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত সীতাকুণ্ড থানার একটি মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। পরে ২২ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান। এরপর ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আকবর শাহ থানার আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি ওই মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন।


    কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়, পাহাড়তলী থানার মামলার ঘটনার সময় নুর হোসেন কারাগারেই ছিলেন। ফলে তাকে ওই মামলায় জড়িত দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন বাস্তবতা ও নথিপত্রের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।


    এ অবস্থায় আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনটি বাতিল করেন এবং আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আরিফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে শোকজের নির্দেশ দেন। আদেশে বলা হয়, গ্রেপ্তার দেখানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া আবেদন দাখিল গ্রহণযোগ্য নয়।


    আসামিপক্ষের আইনজীবী নয়ন মণি দাস বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট আসামি ঘটনার সময় কারাগারে ছিলেন। তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আদালত ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।


    এ বিষয়ে পাহাড়তলী থানার উপপরিদর্শক আরিফুজ্জামান খান সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, তাড়াহুড়োর কারণে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।


    আইন ও বিচার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনায় আদালতের কঠোর অবস্থান আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও দায়িত্বশীল, সতর্ক ও নথিনির্ভর তদন্তে উৎসাহিত করবে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…