ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কামালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—আবদুল গনি, তাহেরা খাতুন, ইদ্রিস ও রাসেল হাওলাদার। তাঁরা সবাই কামালপুর এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রচারণার অগ্রাধিকার নিয়ে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নৌবাহিনী ও পুলিশের কয়েকটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত আবদুল গনি জানান, তিনিসহ আরও কয়েকজন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাতে গেলে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থকরা সেখানে বাধা দেন। আগে প্রচারণা চালানো নিয়ে বিতণ্ডার জেরে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়। অন্যদিকে জামায়াত সমর্থক মো. ইদ্রিস অভিযোগ করেন, মারামারির খবর শুনে ঘটনাস্থলে গেলে বিএনপির লোকজন উল্টো তাঁকে মারধর করে।
মনপুরা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় জামায়াত সমর্থকরা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের একজন কর্মী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।”
অভিযোগের বিষয়ে মনপুরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিমুল ইহসান জসিমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ ভূঁইয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এনআই