“মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ”—এই প্রত্যয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ শাখা আয়োজিত র্যালিটি সাতকানিয়া রাস্তার মাথা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিটি কেরানীহাট সি-ওয়ার্ল্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এসে সমাবেশে রূপ নেয়। এতে ছাত্রশিবিরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এলাকাটিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
র্যালি-পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ সভাপতি আসিফুল্লাহ মুহাম্মদ আরমান। তিনি বলেন, “ছাত্রসমাজকে নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের আদর্শে গড়ে তুলতে ছাত্রশিবির আপসহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আদর্শবান ছাত্রসমাজই হবে মূল শক্তি।”
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবু নাসের। তিনি বলেন, “দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সংকট উত্তরণে মেধাবী, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই। ছাত্রশিবির সেই লক্ষ্যেই প্রায় পাঁচ দশক ধরে শিক্ষার্থীদের আদর্শিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
জেলা সেক্রেটারি ডি.এম. আসহাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় মাদরাসা সম্পাদক নুরুল হক, সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক তৌহিদুল হক মিসবাহ, সাবেক জেলা সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক জেলা সেক্রেটারি এবিএম শহীদুল্লাহ ও তৈয়ব হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষা, চরিত্র ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সমন্বয়ের মাধ্যমেই একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। ছাত্রশিবির সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মানবিক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।
শেষে দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এনআই