ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) কম ভোট পেলে তাঁর জামানত ফেরতযোগ্য থাকে না।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ-১ আসনে ২ জন, হবিগঞ্জ-২ আসনে ৩ জন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে ৪ জন এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।
হবিগঞ্জ-১
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৭। জাসদের কাজী তোফায়েল আহমেদ (মোটরগাড়ি) পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার) পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭২ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
হবিগঞ্জ-২
মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৯৭৫। স্বতন্ত্র প্রার্থী আফছার আহমদ (ফুটবল) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী (লাঙ্গল) ৯৪১ ভোট এবং বাসদের লুকমান আহমদ তালুকদার (মই) পেয়েছেন ৪৪৮ ভোট। তারাও নির্ধারিত সীমার কম ভোট পেয়েছেন।
হবিগঞ্জ-৩
এ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৮। ইসলামী আন্দোলনের মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুমিন চৌধুরী (লাঙ্গল) ১ হাজার ২৫৯ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের এসএম সরওয়ার (মোমবাতি) ১৪ হাজার ১৩৩ ভোট এবং সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শাহিনুর রহমান (ছড়ি) পেয়েছেন ১৩২ ভোট। এ চারজনের জামানতও বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
হবিগঞ্জ-৪
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৭। খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৪৬ ভোট। এছাড়া বাসদের মো. মুজিবুর রহমান (মই) ৩২৯, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) ৪৮৪, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি) ৪৮৪, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন) ৫৩৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ৬৫২ এবং এসএ সাজন (ফুটবল) ৬১৯ ভোট পেয়েছেন। তারাও প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।
উল্লেখ, এবারের নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার ৪টি আসনে মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন
এসআর