বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ এক নেতা বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে অতিথিদের বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
তবে শপথের সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং অতিথি তালিকা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এদিকে, একই দিনে বিএনপির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার মাঝে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকায় তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মূল আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
পোস্টে মোদি বলেন, ‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’
এছাড়া একই দিনে (শুক্রবার) পোস্টে দেওয়া পোস্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমাদের ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও দক্ষিণ এশিয়া, তার বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের আমাদের যৌথ লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।
সূত্র: বিবিসি বাংলা, ইন্ডিয়া টুডে
এবি