ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীসহ ৭ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) ভোট না পেলে সেই জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়। বরগুনা-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৪০ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ১২১ জন। প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ দাঁড়ায় প্রায় ২৪ হাজার ৭৬৫ ভোট। এই সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরগুনা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের স্বাক্ষরিত তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি পেয়েছেন ৯০ হাজার ৬৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ২৪৭ ভোট।
প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেয়ে যেসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন,বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মো. সাব্বির আহম্মেদ (ডাব প্রতীক) পেয়েছেন ২১৯ ভোট,বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান লিটন (কাঁঠাল প্রতীক) পেয়েছেন ১১৫ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল লতিফ ফরাজী (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ২৪৮ ভোট, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এর প্রার্থী সৈয়দ মো. নাজেস আফরোজ (সিংহ প্রতীক) পেয়েছেন ২৯৪ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মো. সোলায়মান (আম প্রতীক) পেয়েছেন ৯৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৬৩ ভোট,এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রাশেদ উদ জামান (জাহাজ প্রতীক) পেয়েছেন ২৯৮ ভোট।
এনআই