এইমাত্র
  • মাছ ধরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জেলে শাহাদতের
  • সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাবনার আরিফা সুলতানা রুমা
  • দাউদকান্দিতে শিক্ষার্থী অপহরণের চেষ্টা
  • নওগাঁয় কবরস্থান থেকে কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
  • নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
  • পাকুন্দিয়ায় অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত
  • এখন থে‌কে মানসম্মত গ‌বেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ কর‌লেই, সম্মাননা প্রদান করা হ‌বে: বাকৃবি উপাচার্য
  • লিচুর রাজ্য ছেয়ে গেছে সোনালী মুকুলে, ব্যপক ফলনের সম্ভাবনা
  • নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহম্মদ শেখের ৯০তম জন্ম বার্ষিকী পালিত
  • ৫ মামলায় জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    লিচুর রাজ্য ছেয়ে গেছে সোনালী মুকুলে, ব্যপক ফলনের সম্ভাবনা

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

    লিচুর রাজ্য ছেয়ে গেছে সোনালী মুকুলে, ব্যপক ফলনের সম্ভাবনা

    মাহাবুবুর রহমান মিঠুন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

    সেই ৮০ দশক থেকে পাবনার ঈশ্বরদী লিচুর রাজ্য নামে খ্যাত। সেই লিচুর রাজ্যে এখন গাছভর্তি সোনালী মুকুলে ছেয়ে গেছে। বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় বর্তমানে ব্যাপক পরিচর্যার কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।


    উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে উপজেলার প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর জমিতে চাষ হচ্ছে রসালো এবং সুস্বাদু ফল লিচু। পুরো উপজেলা জুড়ে ছোট বড় মোট লিচুর বাগান রয়েছে প্রায় ১১ হাজার ২৭০ টি। গতবছর এ এলাকায় উৎপাদিত মৌসুমি লিচুর বাজার মূল্য ছিল প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। তবে এ বছর গাছে পর্যাপ্ত মুকুল আসায় আগের যে কোন সময়ের রেকর্ড অতিক্রম করতে পারে বলে আশা করছেন চাষীরা।


    চাষীদের তথ্যমতে, বছরের মাঘের শেষ সপ্তাহ থেকে ফাল্গুনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সাধারণত লিচুর মুকুল আসা সম্পন্ন হয়।


    ঈশ্বরদীতে মূলত সবচেয়ে বেশি চাষ হয় ৩ জাতের লিচু। এগুলোর মধ্যে মোজাফ্ফর বা দেশী, বোম্বাই বা চায়না-৩ অন্যতম। তবে বর্তমানে বেশ কিছু নতুন জাতের কদমি, কাঁঠালি, বেদানা, চায়না-১ এবং চায়না-২ জাতের লিচুর চাষ হচ্ছে এ অঞ্চলে। তবে চায়না-৩ জাতের লিচুর স্বাদ ও চাহিদা সবচেয়ে বেশী থাকার কারনে বর্তমানে এ অঞ্চলে এই জাতের লিচুর চাষ বাড়ছে।


    উপজেলার চরমিরকামারী, গাংমাথাল, জয়নগর, সিলিমপুর, আওতাপাড়া, জগন্নাথপুর, শেখের দাইড়, বক্তার পুর, মানিক নগর ও ছিলিমপুর এলাকাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বাগানের প্রতিটি গাছেই নতুন মুকুলের ঘ্রান মন কাড়ছে। আর চাষীদের সেই  মুকুল পরিচর্যায় ব্যাপক কর্মব্যস্ততা দেখা গেছে।


    উপজেলার জয়নগর গ্রামে বাগান মালিক মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার লিচুর মুকুর আনুপাতিক হারে বেশী। আমার প্রায় শতাধিক লিচুর গাছ রয়েছে। গত বছর ৩৫ থেকে ৪০ টি গাছে লিচু আসলেও এবার কমবেশী প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলনের আশা করছি।


    মিরকামারী এলাকার লিচু চাষী ও ব্যবসায়ী মোঃ আরিফ বলেন, গতবছর লিচু কম থাকায় তেমন ব্যবসায় লাভের মুখ দেখিনি। তবে এবার লিচুর গাছে বেশ মুকুল দেখা যাচ্ছে। আমরা মুকুলগুলো রক্ষা করতে ব্যাপক পরিচর্যা করছি। মুকুল অনুযায়ী ফলন হলে আশাকরি গত বছরের ব্যবসায়িক ক্ষতি এবার পোষাতে পারব।


    জগন্নাথপুর এলাকার লিচুর মৌসুমি ব্যবসায়ী মোঃ কুদ্দুস আলী বলেন, প্রতিবছরই আমরা লিচুর মুকুল আসার আগেই অনেক বাগান কিনে থাকি। এবারও কিনেছি। তবে গত বছর ঠকে গেলেও এবারের অবস্থা আশানুরুপ অনেকটাই ভালো কারন প্রায় গাছেই লিচুর মুকুল ফুটেছে। আশা করছি এবার ভালো কিছু হবে।  


    ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন বলেন, গত বছর লিচুর পরিমান কম থাকলেও এবার গাছ ছেয়ে গেছে সোনালী মুকুলে। এ বছর উপজেলায় ৩১০০ হেক্টর জমিতে লিচুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে এবার লিচুর জন্য আবহাওয়াও অনুকূলে রয়েছে। তাই ফলনের মাত্রাটাও আশা করা যাচ্ছে ভালো হবে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…