এইমাত্র
  • ভোরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
  • দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক
  • ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা, লাখো মুসল্লির ঢল
  • নতুন বছরের শুরুতেই বাড়ল স্বর্ণের দাম
  • নাইজেরিয়ায় বাজারে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ৩০
  • কুয়েত থেকে ৪০ হাজার প্রবাসী বিতাড়িত
  • ‘দু’এক দিনের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান পদে আসছেন তারেক রহমান’
  • মাদুরো মিশনে কতজনকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ভেনেজুয়েলার কর্মকর্তা
  • নিজস্ব প্রযুক্তির বিধ্বংসী অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে পাকিস্তান
  • এবার সবাইকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে বললেন কিয়ার স্টারমার
  • আজ সোমবার, ২২ পৌষ, ১৪৩২ | ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
    লাইফস্টাইল

    শীতে শরীর সুস্থ ও গরম রাখবে যেসব খাবার

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

    শীতে শরীর সুস্থ ও গরম রাখবে যেসব খাবার

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    চলছে পৌষ মাস, এরই মধ্যে হাড় হিম করা শীতে কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে চারপাশ। এতে ক্রমেই যেন তীব্র হচ্ছে শীতের অনুভূতি। এই অবস্থায় গরম কাপড়ে উষ্ণতা খোঁজে সবাই। তবে শুধু গরম কাপড় নয়, এমন কিছু খাবার আছে, যা শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসে একটু পরিবর্তন আনলেই মিলতে পারে দারুণ উপকার। যেগুলো শরীরের ভেতর থেকে তাপ উৎপন্ন করে ঠান্ডা কমাতে সাহায্য করে। 

    শরীরের তাপ উৎপাদনে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন ও জটিল কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবারগুলো হজম হতে বেশি সময় নেয় এবং শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে।

    জেনে নেয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে

    শুকনা ফল: শীতে শরীর গরম রাখতে বেশ কার্যকর শুকনা ফল (ড্রাই ফ্রুটস)। কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা আখরোট ভালো চর্বির বিশেষ উৎস। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ও শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। খেজুর ও কিশমিশ খেলেও ভালো ফল মিলবে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে নাশতা হিসেবে এসব খাবার প্রাধান্য পায়। আয়রন পেতে খেজুর দুর্দান্ত। গর্ভবতী নারীরা দিনে এক মুঠো শুকনা ফল খেতে পারেন। নবজাতকের মায়েরা (যাঁরা শিশুকে দুধ পান করান) প্রতিদিন এক মুঠো শুকনা ফল খেতে পারেন। সরাসরি খেতে না চাইলে এগুলো দিয়ে তৈরি লাড্ডুও খেতে পারেন। বাচ্চারা যারা শুকনা ফল খেতে পছন্দ করে, তাদেরও প্রতিদিন একটি মুঠো দেওয়া যেতে পারে। শুকনা ফল গুঁড়া করে দুধ বা কুসুম গরম পানিতে মিশিয়েও খাওয়া যায়।

    বিভিন্ন মসলা: শরীরের উষ্ণতা বজায় রাখতে মসলা একটি কার্যকর উপাদান। যেহেতু আমাদের রন্ধনপ্রণালিতে মসলার ব্যবহার বেশি, তাই এটি সহজেই আমাদের দৈনন্দিন খাবারে মিশে যায়। শরীর উষ্ণ রাখতে পারে যেসব মসলা, তার মধ্যে আছে আদা, জিরা, গোলমরিচ ও দারুচিনি। রান্নার মসলার বাইরেও চা ও স্যুপে আদা ব্যবহার করে খাওয়া যায়। জিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। তাই আপনার খাবারে জিরা যোগ করতে পারেন। 

    ডিম: ডিমকে বলা হয় ‘শক্তির পাওয়ার হাউস’। ডিম কেবল আপনার শরীরকেই উষ্ণ রাখে না, এতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ভিটামিন, যা আপনার শরীরকে শীতকালে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করবে। তাই এই শীতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে একটি করে ডিম।

    মধু: কিছুটা গরম পানিতে প্রতিদিন এক চা-চামচ মধু আপনার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। মধু আপনাকে সর্দিকাশি থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। মধু প্রকৃতিগতভাবে উষ্ণ খাবার। নিয়মিত মধু পান এই শীতে আপনার শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে।

    আয়রন সমৃদ্ধ খাবার: আপনার হাত-পা যদি সব সময় ঠান্ডা থাকে, তাহলে আপনার আয়রনের ঘাটতি বা রক্তশূন্যতা থাকতে পারে। শরীরের সমস্ত অংশে অক্সিজেন বহন করার জন্য আয়রন সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শরীর উষ্ণ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রনজাতীয় খাবার খেতে হবে। লাল মাংস (গরু, খাসি), কলিজা, হাঁস ও মুরগির মাংসেও আয়রন আছে। আয়রন পেতে আরও খেতে পারেন কলা, কচু, ডাঁটাশাক, লালশাক, শিম, শিমের বিচি, কাঁচকলা, চিড়া, ফুলকপির ডাঁটা, ধনেপাতা, কালোজাম, শালগম, পাকা তেঁতুল, মটরশুঁটি, স্ট্রবেরি, তরমুজ, আপেল, পেয়ারা, বেদানা, ওটস, লাল চাল ইত্যাদি। শুকনা ফলের মধ্যে কিশমিশ, কুমড়োর বিচি, খেজুর, আখরোট, বাদামেও আয়রন আছে। এসব খাওয়ার ফলে শরীর ঠিকঠাক আয়রন পাবে আর তার মাধ্যমে বাড়বে উষ্ণতা।

    তিল: শীতে শরীর গরম রাখতে তিল দারুণ উপকারী। এটি ক্যালসিয়াম ও আয়রনে ভরপুর। গুড় ও তিলের লাড্ডু বানিয়ে খেতে পারেন। লেপের নিচে বসে চাল আর তিলভাজা খেতে ভালোবাসেন অনেকে। শরীর গরম রাখা ছাড়াও তিলের অন্য উপকারিতাও রয়েছে। তিল ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। চুল লম্বা হতে সাহায্য করে, হাড় ভালো রাখে ও শ্বাসযন্ত্রের রোগের জন্যও দুর্দান্ত কাজ করে।

    বিভিন্ন তরল খাবার: শরীরকে উষ্ণ রাখতে এই শীতে ধোঁয়া ওঠা মসলা চা কিংবা কফির জুড়ি মেলা ভার। পাশাপাশি রাখতে পারেন বিভিন্ন সবজি ও মুরগি দিয়ে তৈরি স্যুপ। দিনের সব ক্লান্তি মুছে ফেলতে দিনের শেষ ভাগে রাখতে পারেন এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ। এসব খাবার আপনাকে ভেতর থেকে উষ্ণতা দেবে। শীত তাড়াতে এর চেয়ে ভালো উপায় আছে কী!

    গরম ভাত ও শস্যজাত খাবার: ভাত, ওটস, আটার রুটি, ভুট্টা—এগুলো শরীরে শক্তি জোগায় এবং হজমের সময় তাপ তৈরি করে। শীতে গরম ভাত বা খিচুড়ি শরীরকে ভেতর থেকে আরাম দেয়।

    শীতে খুব ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলুন: কুসুম গরম পানি পান করুন এবং নিয়মিত গরম খাবার খান। এতে শীতের কনকনে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…