বিপিএলের চলতি আসরে নতুন দল হিসেবে যাত্রা শুরু করা নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য অভিষেক মৌসুমটা এখন পর্যন্ত হতাশারই। একের পর এক হারে টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান আরও নাজুক করেছে দলটি। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান হায়দার আলীর নেতৃত্বে থাকা নোয়াখালী টানা চতুর্থ ম্যাচেও হার দেখেছে। তাদের ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএলের ১৩তম ম্যাচে আগে ব্যাট করে মাত্র ১৪.২ ওভারে ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
জবাবে সিলেট ৪ উইকেট হারালেও ১১.৪ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে। হাতে থাকে ৬৮ বল। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান নাসুম আহমেদ। বাঁহাতি স্পিনার ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন দ্বিতীয় ওভারেই ফিরেছেন ১ রান করে। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তৌফিক খান ও জাকির হাসানের জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রান যোগ করেন তারা। তৌফিক ১৮ বলে ৭টি চারে ৩২ রান করে আউট হন। আফগান স্পিনার জহির খানের বলে পরে ফিরেছেন আফিফ হোসেন ও জাকির হাসানও।
শেষ দিকে পঞ্চম উইকেটে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মঈন আলী খুব সহজেই জয় নিশ্চিত করেন। ৮.২ ওভারেই ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়ে সিলেট। মঈন ১ ও ওমরজাই ০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এর আগে নোয়াখালীর ইনিংসে মূল পার্থক্য গড়ে দেন নাসুম আহমেদ। তার ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বেশিরভাগ ব্যাটার। উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান যোগ করেন ১৮ রান। বাকিদের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।
নাসুমের ৫ উইকেট নেওয়ার এই পারফরম্যান্স বিপিএলে তার ক্যারিয়ার সেরা। একই সঙ্গে এটি বিপিএলের ইতিহাসে কোনো স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগার হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছে।
আরডি