এইমাত্র
  • ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের পাকা সড়ক নির্মাণে বিজিবির বাঁধা
  • হাদি হত্যার বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে লক্ষ্মীপুরে সড়ক অবরোধ
  • আনোয়ারায় কৃষিজমির মাটি কাটায় জরিমানা
  • ইছামতি নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
  • শাহজাদপুরে চুরি করা ৬টি গরু উদ্ধার, ১ জন গ্রেফতার
  • বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে
  • আরও ২০৬ মিলিয়ন ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
  • সুন্দরবনের দস্যু প্রধান মাসুম মৃধা আটক
  • পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলে আইপিএল থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় হোল্ডার
  • বাংলা‌দে‌শের গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া: বাকৃবি উপাচার্য
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ | ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    যশোরে রানা হত্যাকাণ্ড

    বান্ধবী ঝুমুরকে জিজ্ঞাসাবাদ, শুটারদের খোঁজে পুলিশ

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ পিএম

    বান্ধবী ঝুমুরকে জিজ্ঞাসাবাদ, শুটারদের খোঁজে পুলিশ

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ পিএম

    যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া বাজারে জনসম্মুখে মাথায় গুলি করে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে পেশাদার শুটার জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে হত্যার মোটিভ এখনো উদঘাটন হয়নি। ঘটনায় নিহতের বান্ধবী ঝুমুর মণ্ডলকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কপালিয়া বাজারে রানা প্রতাপ বৈরাগীর মাথা লক্ষ্য করে একাধিক গুলি করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাতটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। তবে হত্যার পেছনে জড়িত প্রকৃত নেটওয়ার্ক এখনো শনাক্ত করা যায়নি। নিহত রানা প্রতাপ কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে।

    নিহত রানার স্ত্রী সীমা বৈরাগী জানান, কপালিয়া বাজারে রানার বান্ধবী ঝুমুর মণ্ডলের ‘ঝুম বিউটি পার্লার’ রয়েছে। ঝুমুর মণ্ডলের সঙ্গে তার স্বামীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। প্রায়ই রাতে ঝুমুর মণ্ডল মোবাইল ফোনে রানা প্রতাপের সঙ্গে ঝগড়া করতেন এবং একাধিকবার জীবননাশের হুমকিও দেন বলে দাবি করেন সীমা। তার ধারণা, এ হত্যাকাণ্ডে ঝুমুর মণ্ডলের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রানা প্রতাপ একসময় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি চরমপন্থি দলের সদস্য ছিলেন। তিনি খুন ও ধর্ষণের মতো অপরাধের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। ফলে এটি প্রতিপক্ষের প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রজিউল্লাহ খান জানান, রানা প্রতাপ বৈরাগীকে (৪২) গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনটি দিক সামনে রেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। এগুলো হলো—নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি দল ত্যাগের জের, পেশাগত দ্বন্দ্ব এবং ব্যবসায়িক শত্রুতা। খুব শিগগিরই হত্যার মোটিভ উদঘাটন করা হবে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের বান্ধবী ঝুমুর মণ্ডলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার জানান, রানা প্রতাপ বৈরাগী একজন চরমপন্থি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় একটি বিস্ফোরক মামলা এবং অভয়নগর থানায় শ্রমিক নেতা মোল্যা ওলিয়ার রহমান হত্যাসহ দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও তিনি খুন ও ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…