এইমাত্র
  • সংস্কৃতির বেড়াজাল ডিঙিয়ে লক্ষ্মীপুরে ফরাসি তরুণী
  • এবারের নির্বাচন হবে ঐতিহাসিক: ইইউ
  • শোকজের জবাব দিলেন ধানের শীষের প্রার্থী অমিত
  • ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ
  • খুনি হাসিনা বিনা কারণে আমাকে ১৪ বছর বন্দি করে রাখে: এ টি এম আজহার
  • প্রাণ বাঁচাতে অর্ধশত আরসা সদস্যের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ
  • ঝিনাইদহে দুটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার
  • নোয়াখালীর পর এবার রাজশাহীর কাছে হারল রংপুর
  • বেনাপোলে বিদেশি অস্ত্রসহ যুবক আটক
  • নির্বাচনকে ঘিরে সরকার কোনো দলকে এক্সট্রা সুবিধা দিচ্ছে না: প্রেস সচিব
  • আজ রবিবার, ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ ভাবছেন ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম

    ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ ভাবছেন ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম

    ইরানে বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমন করায় দেশটিতে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ (গুরুত্বের সঙ্গে) ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস রোববার (১১ জানুয়ারি) জানিয়েছে, ইরানে কীভাবে হামলা করা যায় এ ব্যাপারে ট্রাম্পকে ব্রিফ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। যদিও ট্রাম্প হামলার ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তবে হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন।

    সংবাদমাধ্যমটিকে নাম গোপন রাখার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানে কোথায় কিভাবে হামলা চালাতে পারে সে ব্যাপারে একাধিক পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    এরআগে আরেক সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, ট্রাম্প যদি নির্দেশ দেন তাহলে ইরানের সেনাবাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক আকারে বিমান হামলা চালানো হতে পারে।

    এদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোরতা, হতাহতে ভরে গেছে ইরানের হাসপাতালগুলো। ইরানের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। গত বৃহস্পতিবার রাতে সবচেয়ে তীব্র আন্দোলন হওয়ার পর শুক্রবার রাতেও রাস্তায় নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এছাড়া শনিবারও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।

    তবে গতকাল শুক্রবার রাতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচার গুলির ঘটনা ঘটেছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তিনটি হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালগুলো নিহত ও আহতে মানুষে উপচে পড়েছে।

    তেহরান হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, তরুণদের মাথা লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছোড়া হয়েছে। এছাড়া অনেকের হার্টেও গুলি করা হয়েছে।  

    একটি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে এত বেশি রোগী আসছিল যে তারা ক্রাইসিস মুডে চলে গেছেন। হতাহতের চিকিৎসা দিয়ে তারা কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না।

    বিক্ষোভকারীদের পাশপাশি আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ সংখ্যা ১৪ জন বলে জানা গেছে।

    সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…