এইমাত্র
  • মারা গেছেন সোনালী যুগের অভিনেতা জাভেদ
  • বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা জাতিসংঘের
  • ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা
  • এমআরএ’র যুগ্ম পরিচালকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
  • ৮ জেলায় চালু হলো ডিজিটাল জামিননামা সেবা
  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ চলছে, কাল থেকে প্রচারণা
  • হজে যেতে ৭৬৫৮০ জন বাংলাদেশির নিবন্ধন
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ: আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আবুল কালাম
  • বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি দিলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড
  • পদ্মা সেতুতে টোল থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা
  • আজ বুধবার, ৮ মাঘ, ১৪৩২ | ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
    ধর্ম ও জীবন

    হজে যেতে ৭৬৫৮০ জন বাংলাদেশির নিবন্ধন

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম
    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম

    হজে যেতে ৭৬৫৮০ জন বাংলাদেশির নিবন্ধন

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম
    ছবি: সংগৃহীত

    চলতি বছর হজে যেতে ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জনের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালে হজ পালনের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক বলেন, সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিকেল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য। মন্ত্রণালয় তাদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। 

    সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালে ১৬ অক্টোবর। আর নিবন্ধন শুরু হয় একই বছর ২৭ জুলাই। 

    হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। সৌদি সরকার সকল হজযাত্রীর জন্য মেডিকেল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে। 

    মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় হজযাত্রীদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।

    হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মুকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

    বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স দায়িত্বে থাকবে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে এবং বাকিদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।

    মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না। সকলকে নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    সূত্র: বাসস

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…