এইমাত্র
  • সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
  • তারেক রহমানের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের আবেগঘন সাক্ষাৎ
  • একসঙ্গে সংসদে যাচ্ছেন দুই ভাই পিন্টু-টুকু
  • ন্যাটো ৩.০: নেতৃত্ব গ্রহণ করতে চায় ইউরোপ, কোণঠাসা যুক্তরাষ্ট্র
  • নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে
  • জামানত হারালেন জাপা মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী
  • যেসব দেশে একই পরিবারে সদস্যরা রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন
  • তারেক রহমানকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
  • শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইবে বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
  • আজ শুক্রবার, ৩০ মাঘ, ১৪৩২ | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    কারাগারে প্রেম, বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন হত্যা মামলার ২ আসামি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম

    কারাগারে প্রেম, বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন হত্যা মামলার ২ আসামি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম

    ভারতের রাজস্থানের একটি কারাগারে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এক নারী ও পুরুষ। এবার সেই সম্পর্ক প্রেমের গল্প গড়াচ্ছে বিয়েছে। তাদের বিয়ের জন্য ১৫ দিনের জরুরি প্যারোল দিয়েছে রাজস্থান হাইকোর্ট। 

    আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) আলওয়ার জেলার বারোদামেভ এলাকায় তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

    বিয়ে করতে যাওয়া ওই যুগলের নাম প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং হনুমান প্রসাদ। দুজনেই বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন। আদালতের অনুমতিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তারা জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

    কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগে জয়পুরের সাঙ্গানের ওপেন জেলে বন্দি অবস্থায় প্রিয়া শেঠ ও হনুমান প্রসাদের পরিচয় হয়। একই জেলে থাকার সময় ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং সেই সম্পর্কই শেষ পর্যন্ত বিয়ের সিদ্ধান্তে রূপ নেয়।

    প্রিয়া শেঠ ২০১৮ সালের একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হন। তদন্তে জানা যায়, তিনি টিন্ডারে পরিচয়ের মাধ্যমে দুষ্যন্ত শর্মা নামের এক যুবককে ফাঁদে ফেলেন। পরে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

    ধরা পড়ার ভয়ে প্রিয়া তার প্রেমিক দীক্ষান্ত কামরা ও তার বন্ধু লক্ষ্য ওয়ালিয়ারের সহায়তায় দুষ্যন্তকে হত্যা করেন। মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেয়া হয়।

    অন্যদিকে হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালের ভয়াবহ পাঁচ খুনের মামলায় দণ্ডিত। তার প্রেমিকা সন্তোষের অনুরোধে তিনি তার স্বামী বানওয়ারি লালকে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়ে যাওয়ায় সন্তোষের তিন সন্তান ও এক ভাতিজাকেও হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় গোটা আলওয়ারজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।

    হাইকোর্ট বিয়ের উদ্দেশ্যে উভয়কেই ১৫ দিনের প্যারোল দিলেও স্পষ্ট করেছে, নির্ধারিত সময় শেষে তাদের আবার কারাগারে ফিরে যেতে হবে। জেল থেকে শুরু হওয়া এই প্রেম ও বিয়ের ঘটনা ইতোমধ্যেই ভারতজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…