চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে গাজীপুরের মানুষের বড় ভূমিকা রয়েছে: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে গাজীপুরের মানুষের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন রক্ষা করতে আগামী ১২ তারিখ সবাই ভোরে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। বিগত বছরের মতো ভোট ডাকাতি আর হতে দেওয়া যাবে না। নিজের অধিকার নিশ্চিত করেই সবাই ফিরবেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে মহানগর বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গাজীপুরকে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের রাজধানী বলা হয়। এ দেশের গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরেই শিল্পায়নের প্রসার ঘটে এবং এর ফলে লক্ষ লক্ষ মা-বোন ও ভাইয়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়নে যদি কেউ সত্যিকারভাবে চিন্তা করে থাকে, সেটি বিএনপি সরকার। গার্মেন্টস শিল্পকে কেন্দ্র করে আমাদের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা কাজ করব। ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে, কৃষক ভাইদের কৃষিকার্ড দেওয়া হবে এবং শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, গাজীপুরে তুরাগ, লবনদহ ও চিলাইসহ কয়েকটি বড় খাল রয়েছে। আগামী ১২ তারিখ নির্বাচন শেষে এসব খাল খননের কাজ শুরু করা হবে। দূষিত পানি যেন আর গাজীপুরে থাকতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি জয়দেবপুর রেলগেট এলাকায় তীব্র যানজট নিরসনে দ্রুত ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিল্প কারখানায় কর্মরত মা-বোনদের নিরাপত্তা এবং শ্রমিকদের আবাসনের বিষয়েও কাজ করা হবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তারেক রহমান গাজীপুরের পাঁচটি আসনে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, গাজীপুর নিয়ে আমাদের যে উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে এসব প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর সড়ক ধরে নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেলে দীর্ঘ সময় পর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সভামঞ্চে ওঠেন।
ইখা