নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত পদ্মা ও মেঘনা অয়েল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় শত শত ট্যাংকলরির দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। এতে ডিপো এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কজুড়ে তেলবাহী ট্যাংকলরির জট দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে পদ্মা ও মেঘনা অয়েল ডিপো এলাকায় ট্যাংকলরির দীর্ঘ লাইন পড়ে। অপেক্ষমাণ এসব যানবাহনের সারি নারায়ণগঞ্জ–শিমরাইল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, ডিপো দুটি থেকে পেট্রোল পাম্পের জন্য ২০ শতাংশ এবং এজেন্টদের জন্য ৫০ শতাংশ তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সময়ক্ষেপণ করে তেল সরবরাহ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় ট্যাংকলরিতে তেলের চাহিদাও হঠাৎ বেড়ে গেছে। তবে দুপুরের পর থেকে ডিপো দুটি থেকে তেল সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
পদ্মা অয়েল ডিপোর ব্যবস্থাপক আমিনুল হক এবং মেঘনা অয়েল ডিপোর ব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রহমান তেল সরবরাহ কমানোর বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এটি সরকারি নির্দেশনার ভিত্তিতে করা হয়েছে। তবে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলেও তারা দাবি করেন।
মেঘনা অয়েল ডিপোর ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ডিপোতে পরিদর্শন (ইনস্পেকশন) চলার কারণে তেল সরবরাহে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ডিপো এলাকায় ট্যাংকলরির দীর্ঘ জট চোখে পড়েছে।
ইখা