ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ‘খারাপ পরিণতি’ হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
পেজেশকিয়ান বলেন, আমি আমার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। যদি ন্যায়সঙ্গত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ থাকে তাহলে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় স্বার্থের কাঠামোর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। গত মাসে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ইরানি কর্তৃপক্ষের মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার পর ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী দল পাঠিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি আশাবাদী যে ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘কিছু একটা সমাধান’ করবে। তবে সোমবার তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ‘খারাপ পরিণতি ঘটবে’।
তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে তারা কূটনীতি চায় এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি অবাধ প্রতিক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই কেন্দ্রীভূত থাকা উচিত। ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সোমবার সিএনএন সম্প্রচারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি অর্জন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, তাই আমি আরেকটি আলোচনার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি যদি মার্কিন আলোচনাকারী দল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথা অনুসরণ করে। একটি ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব যেন কোনো পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে তা নিশ্চিত করা যায়। তিনি আরও বলেন, যদি তাই হয়, তাহলে আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।
এমআর-২