ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল করিমের বাড়ির সামনে বস্তাভর্তি অস্ত্র রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভোলা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট এ এইচ এম ওয়ালী উল্লাহ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সোমবার রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে কুতুবা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল করিমের বাসায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দুই দফায় অভিযান পরিচালনা করেন। সে সময় পুরো বাসা তল্লাশি করলেও তারা কোনো ধরনের অবৈধ বা সন্দেহজনক কিছু খুঁজে পাননি। কিন্তু রহস্যজনকভাবে মঙ্গলবার সকালে তার বৃদ্ধা মা ঘুম থেকে উঠে বাসার সামনে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ফেলে রাখা অবস্থায় দেখতে পান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দিলে তারা এসে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা মাত্র।”
ওয়ালী উল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, গত সোমবার বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের নির্বাচনী জনসভায় মাওলানা নুরুল করিমের বড় ভাই মাওলানা রেজাউল করিমকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে বিপদে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। জামায়াত নেতাদের দাবি, এই ‘অস্ত্র নাটক’ ওই হুমকিরই একটি অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।
এ সময় ভোলা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ফজলুল করিম, বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদ রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি হেলাল উদ্দিন রুবেলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এনআই