এইমাত্র
  • প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ
  • জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলের ছুটি শুরু
  • রমজানের প্রথম দিনেই গাজায় শিশুসহ দুজনকে হত্যা করলো ইসরায়েল
  • সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা
  • বাংলাদেশের প্রশংসা করে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ধুয়ে দিলেন মমতা
  • ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’
  • ‘যা পারেন লেখেন’—টাকা কর্তন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রতি তারাগঞ্জের ইউএনও
  • নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
  • গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    খেলা

    নেপালের ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান

    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০ এএম
    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০ এএম

    নেপালের ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান

    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০ এএম

    নেপালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল। তার আগে স্মরণীয় এক জয় পেল। গত দুটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অল্পের জন্য জয় পায়নি। ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে টুর্নামেন্টে গতকাল (মঙ্গলবার) নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ জিতেছে তারা। মুম্বাইয়ে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছে ৭ উইকেটে।


    স্কটল্যান্ড কম রান স্কোরবোর্ডে জমা করেনি। মাইকেল জোন্সের ৪৫ বলে ৭১ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ১৭০ রান করে তারা। জর্জ মানসির সঙ্গে ওপেনিংয়ে ৮০ রানের জুটি ছিল তার। 


    তারপর ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেনের সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়েন জোন্স। ১ উইকেটে ১৩২ রান করা দলটি তারপর ধাক্কা খায়। ১৬২ রানে সপ্তম উইকেট পড়ে তাদের। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপে সবশেষ জয় পাওয়া দলের একমাত্র সদস্য সোমপাল কামি বল হাতে জাদু দেখান। ৪ ওভারে ২৫ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তিনি। দুটি উইকেট পান নন্দন যাদব।


    নেপালও আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করে। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান তোলে তারা। দশম ওভারে ৭৪ রানে ওপেনিং জুটির পর ছোট ধাক্কা খায় নেপাল। কুশল ভুর্টেল (৪৩) হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। আসিফ শেখ করেন ৩৩ রান। অধিনায়ক রোহিত পাউডেলের ব্যাটে আসে ১৬ রান। মাইকেল লিস্কের বলে ৭৪ থেকে ৯৮ রানের মধ্যে তিন উইকেট পড়ে তাদের।


    ১৪তম ওভার শেষে তাদের দরকার ছিল ৩৬ বলে ৭১ রান। তারপর নেপালের সাম্প্রতিক সাফল্যের নায়ক দীপেন্দ্র সিং আইরি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। চারটি চার ও তিনটি ছয় মারেন তিনি, ডট বল ছিল মাত্র দুটি। গুলশান ঝাকে নিয়ে চতুর্থ উইকেট জুটিতে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান আইরি। ঝা ১৭ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচজয়ী রান করেন। আইরি ২৩ বলে ৫০ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন।


    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…