এইমাত্র
  • প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ
  • জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলের ছুটি শুরু
  • রমজানের প্রথম দিনেই গাজায় শিশুসহ দুজনকে হত্যা করলো ইসরায়েল
  • সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিল করলো শ্রীলঙ্কা
  • বাংলাদেশের প্রশংসা করে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ধুয়ে দিলেন মমতা
  • ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’
  • ‘যা পারেন লেখেন’—টাকা কর্তন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রতি তারাগঞ্জের ইউএনও
  • নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
  • গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

    ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই’

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

    ‘বাচ্চারা পড়তে বসো, শিক্ষামন্ত্রী এখন মিলন ভাই।’-নতুন সরকারে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকসহ সর্বত্র চলছে এই আলোচনা।


    পাশপাশি নগর থেকে গ্রাম, পাড়ার অলিগলি থেকে অফিস-আদালত, সর্বত্রই একই আলোচনা- শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে আ ন ম এহসানুল হক মিলন। নতুন মন্ত্রী পরিষদ গঠণের পর ‘টক অব দ্যা কান্ট্রি’ এখন এহসানুল হক মিলনের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ।


    পূর্বে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে আ ন ম এহসানুল হক মিলন নকলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণসহ নিয়েছিলেন নানা উদ্যোগ। তার পূর্বের কর্মকাণ্ডই তাকে নিয়ে এসেছে আলোচনায়। সবারই একই কথা- দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এহসানুল হক মিলনের মতো মানুষকে এখন প্রয়োজন।


    নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে চর্চা করছেন। ফেসবুকের একটি পেইজ তাদের স্টেটাসে লিখেছে- হেলিকপ্টারে চড়ে যিনি নকল ধরতেন, কে এই এহসানুল হক মিলন?


    এই স্টেটাসের বিপরীতে একজন কমেন্ট করেন, এই রকম যোগ্য সৎ শিক্ষা মন্ত্রীই দরকার এই দেশে।


    নাজমুল আহাসান নামের একজন লিখেছেন- ‘এহসানুল হক মিলন আমাদের প্রজন্মের হিরো। বিশেষ করে আমরা যারা মফস্বলে কিংবা গ্রামে পড়াশুনা করেছি। নকলের বিরুদ্ধে তার জিহাদ ও খাতা কাটায় কড়াকড়ির কারণে ছেলেমেয়েদের ফলাফল ছিল নাটকীয়ভাবে খারাপ। একটা উদাহরণ দিই: প্রথমবার যখন দেশে জিপিএ পদ্ধতি চালু হলো, তখন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পত্রপত্রিকায় যেসব কৃতিত্বের খবর আসতো, সেখানে এ মাইনাস প্রাপ্তির খবরও থাকতো। আর এখন গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েও পত্রিকায় স্থান করে নেয়াটা টাফ।


    তারপরও খারাপ ফলাফলের কারণে মিলনের উপর দোষ কাউকে খুব দিতে দেখা যায় নাই। বরং সবাই ব্যাপারটাকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছিল। বিএনপি সরকার চলে যাওয়ার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলো। সিডরের কারণে আমাদের পরীক্ষা পেছালো। আমরা ভয়ে ভয়ে প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু দেখা গেলো ব্যাপক ঢিলে ঢালা। ধুমছে নকল হয়েছে। ইংরেজির দিন আমাদের ইংরেজির শিক্ষক ঢুকে পড়ে গ্রামারের ৪০ নম্বর জাস্ট বলে দিলেন সবাইকে। তবে কুমিল্লায় আমার কাজিনরা বললো খুব বেশি কিছু হয়নি। এরপর এইচএসসিতে কুমিল্লায় আমি। দেখা গেলো বেশ ঢিলে ঢালা। তেমন কড়াকড়ি ছিল না। আগেপরে সহজেই কথা বলা যেতো। শেষ এক ঘণ্টায় তো আরোও বেশি। 


    আমাদের সময় থেকেই ফলাফলে ব্যাপক পরিবর্তন হতে শুরু করে। এরপর পরীক্ষকদেরও নাকি উদার হতে ইন্সট্রাকশন থাকতো। ফলাফল হলো মুড়ি-মুড়কির মতো এ প্লাস ও গোল্ডেন এ প্লাস।


    উন্নত বিশ্ব হলে আমি এসব প্রাথমিক বা মাধ্যমিক শিক্ষার অবনমন নিয়ে অতটা চিন্তিত হতাম না। কারণ সেখানে একটা মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর কিংবা স্কিল বা বেসিক ঠিক করার অনেক সুযোগ থাকে। আমাদের সেটা থেকে না। এই কারণে এই শিক্ষায় ইন্টেগ্রিটি কিছুটা ফিরে আসা দরকার। কাজেই হেলিকপ্টার মিলন কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফাটাকেষ্ট, যেই নামেই ডাকুন না কেন, মিলনকে স্বাগতম। বুলশিট ডিটেক্ট করার ক্ষমতা তার ভালো। তাই এই ধরণের পলিটিশিয়ানের সরকারে থাকা দরকার।’


    এদিকে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। নতুন সরকারে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের ছবি যুক্ত করে এ অভিনেতা তার ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্টেটাস দেন।


    সেখানে তিনি লিখেন, ‘বাচ্চারা তোমরা যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে গেছো আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো! এই লোক কি জিনিস তোমাদের কোন আইডিয়া নাই!’

    অতীতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লেখেন, ‘আমাদের এসএসসি পরীক্ষার সময় পাসের হার ছিল ২৮ শতাংশ। আর সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহসানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।’


    পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।


    মন্তব্য ঘরে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে। কেউ পুরোনো দিনের কঠিন পরীক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলেছেন, আবার কেউ রসিকতার সুরে জানতে চেয়েছেন, সবাই যদি পড়াশোনায় ব্যস্ত হয়ে যায়, তবে নাটক দেখবে কে।


    সব মিলিয়ে ইরফান সাজ্জাদের এই বার্তা সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে শিক্ষাব্যবস্থা ও পড়াশোনা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…