সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোজা রেখেছেন ভোলার ১৩টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। তারা চট্রগ্রামের সাতকানিয়া মির্জাখীল ও শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে সেহরি খাওয়ার মধ্যদিয়ে আজ তারা রোজা রেখেছেন।
এরআগে, গতকাল সৌদি আরবের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাত ৮টায় প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের অনুসারী মো. সুমন মিয়া।
তিনি জানান, তারা প্রতি বছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে গতকাল রাতে প্রথম তারাবি নামাজ আদায় করে আজ ভোর রাতে সেহরির খাওয়ার মধ্যদিয়ে রোজা রেখেছেন। তাঁর মতে, চাঁদ দেখার মধ্যদিয়ে সারাবিশ্বে রোজা ও ঈদ একদিনই পালন করা উচিত।
জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ১৩টি গ্রামে তাদের অন্তত পাঁচ হাজার অনুসারী রয়েছে। যারা প্রতিবছরই এই নিয়ম অনুসরণ করেন। তবে এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। এই উপজেলার টবগী ইউনিয়নেই রয়েছে তাদের অন্তত তিন হাজার অনুসারী।
এসআর