নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত)। মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবরে জামালপুর শহরে আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।
কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান জামালপুর-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭২ হাজার ১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর আগে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিকেলে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে জামালপুর শহরের তলামতলা থেকে একটি আনন্দমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সকাল বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সকাল বাজার এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন লোকজনের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করেন। জেলা যুবদলের সদস্যসচিব সোহেল রানা খানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অন্যদিকে বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা নিজেরা ও সাধারণ মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান।
বিএনপি নেতা ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামালপুরের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামানকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এটি শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং জামালপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি জামালপুরের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবেন। এতে গোটা জামালপুরবাসী আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। তাই আমরা মিছিল করলাম এবং এই খুশিতে সবাইকে মিষ্টিমুখ করালাম।’
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন তিনি। দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনকল্যাণে নিরলস কাজের স্বীকৃতি এটি। তাঁরা আশা করেন, তাঁর নেতৃত্বে জামালপুরে আগামী দিনে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে আরও এগিয়ে যাবে।
এসআর