এইমাত্র
  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ৪
  • পরাজিত প্রার্থীর বাসায় বিজয়ী এমপি, করালেন মিষ্টিমুখ
  • বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, কয়েক বিভাগে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
  • আরেক দফায় বাড়লো স্বর্ণের দাম
  • কালিয়াকৈরে মৎস্য খামার থেকে অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ১২ মার্চ
  • বরিশালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
  • নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় কৃষক লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার
  • ফসলি জমিতে পুকুর খনন বরদাশত করা হবে না: এমপি চাঁদ
  • ইতালিতে প্রবাসীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
  • আজ সোমবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    বরিশালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

    আরিফ হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (বরিশাল) প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
    আরিফ হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (বরিশাল) প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

    বরিশালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও ডিসির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

    আরিফ হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (বরিশাল) প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থীর এক কর্মীকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, তৎকালীন পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


    বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান।


    মামলার আসামিরা হলেন—বরিশাল-৫ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, তৎকালীন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, উপকমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বন্দর থানার তৎকালীন ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা ও কনস্টেবল ফয়জুল।


    বাদী পলাশ অভিযোগ করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করতেন তিনি। সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন এলাকায় লিফলেট বিতরণের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় তিন দিক থেকে তাঁদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়। বিশ্বাসেরহাট এলাকায় পৌঁছালে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তাঁকে নদীর মাঝখান থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান।


    পলাশের দাবি, পরে তাঁর চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। অপহরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তাঁকে হত্যা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বন্দর থানায় নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে দুই থেকে তিনটি মামলা দেওয়া হয় বলে জানান পলাশ।


    তিনি আরও বলেন, “নির্যাতনের কারণে এখনো মাঝে মাঝে পিঠে ব্যথা অনুভব করি।”


    বাদীর ভাষ্য, ঘটনার পর বিভিন্ন দপ্তরে মামলা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হয়। সর্বশেষ কীর্তনখোলা নদীতে ঘটনাস্থল পরিমাপ করে সেটি কোতোয়ালি মডেল থানার আওতাধীন বলে নিশ্চিত করা হয়। এরপর আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।


    এ বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…