এইমাত্র
  • তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
  • মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর
  • প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
  • ফের আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা বাস সার্ভিস চালু
  • রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব পদে আবারও সরওয়ার আলম
  • সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার
  • নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেপ্তার
  • শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: অদৃশ্য বিপদ ঘরে বাইরে
  • আজ বুধবার, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পিএম

    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পিএম

    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে ‍পুলিশ। 

    আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ওই স্কুলছাত্রের বাবা খন্দকার শামীম তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী।

    পুলিশ সূত্র জানায়, আজ বিকেলে খন্দকার শামীম সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বের হচ্ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ছেলে অপহৃত হওয়ার বিষয়টি জানান। খবরটি শুনেই পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    পরে শিশুটিকে উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্কুলছাত্রকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন। ছাত্রটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। বেলা আড়াইটার সময় স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন তাকে খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর এলাকায় সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে চড়থাপ্পড় দেওয়া হয় এবং নির্যাতন করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পুলিশ প্রথমে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে, তাদের কাছে সেই নম্বর চাওয়া হয়। তারা প্রথমে নম্বর দিতে দেরি করছিল, দর-কষাকষিও চলে।

    পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ আলম বলেন, মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দর-কষাকষির মধ্যে পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে এবং ছাত্রটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু হয়। টের পেয়ে অপহরণকীরা ছাত্রকে রেখে পালিয়ে যায়। এরপর বিকেল পাঁচটার দিকে নির্মাণাধীন ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে ছাত্রটিকে উদ্ধার করা হয়।

    এফএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…