যশোরের শার্শায় পল্লী চিকিৎসক আল-আমীন হত্যা মামলার প্রধান আসামি চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য গাজী মশিউর রহমান ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার রাতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সহায়তায় রাজধানীর ঢাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত মশিউর রহমান নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ধলাইতলা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
এনিয়ে এ মামলায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগান গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলাউদ্দিন আলা, একই গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে লালন হোসেন ও আব্দুল কাদেরের ছেলে সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। স্থানীয়রা জানায় আলাউদ্দিন যুবদলের সক্রিয় সদস্য এবং অন্য দুইজনও যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন পল্লী চিকিৎসক আল-আমীন। পথে গাতীপাড়া কুলপালা গ্রামে একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর পুলিশ তিন সন্দেহভাজনকে আটক করে আদালতে পাঠায়। পরবর্তীতে নিহতের ছোট ভাই থানায় মামলা করেন, যেখানে তিনি দাবি করেন যে আল-আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম স্বামী (চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য মশিউর রহমান) লোকজন দিয়ে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে এক সহযোগীসহ তাকে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী মসিউর হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে । একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি ।
এফএস