এইমাত্র
  • ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনে ১০ মার্চ বগুড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী
  • যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
  • গ্রামপুলিশদের দাবি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবেঃ মির্জা ফখরুল
  • হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন অজ্ঞাত বৃদ্ধা
  • তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী পুনরায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ছুরিকাঘাতে হত্যা
  • প্রধানমন্ত্রী তার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
  • তারাগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
  • ফের ভূমিকম্প অনুভূত
  • ঝালকাঠিতে ডান্ডাবেড়ি পায়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা
  • পৃথিবীর সকল সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • আজ শুক্রবার, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    লাইফস্টাইল

    ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা কখন ঝুঁকিপূর্ণ

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

    ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা কখন ঝুঁকিপূর্ণ

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করলেন রোজা। কিন্তু দুপুরের পর অল্প মাথা ঘোরা, বিকেলে দুর্বলতা - ভাবলেন এসব হয়তো  স্বাভাবিক। কিন্তু এসবই হতে পারে আপনার জন্য বিপদের আগাম সংকেত।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজার সময় শরীরের প্রতিটি ছোটোখাটো সমস্যা গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    লম্বা সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) বা বেড়ে যেতে পারে (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)।এই দুটোই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আগে থেকেই যেনে রাখা দরকার – কোন লক্ষণগুলো ঝুঁকির দিকে ইঙ্গিত করে।

    রক্তে শর্করা ৩.৯ মিলিমোল/লিটার-এর নিচে নেমে গেলে

    রক্তে শর্করা ৩.৯ মিলিমোল/লিটার বা তার নিচে নামলে তা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হিসেবে ধরা হয়। এই অবস্থায় ঘাম, কাঁপুনি, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি হতে পারে। এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙা জরুরি।

    রক্তে শর্করা ১৬.৭ মিলিমোল/লিটার-এর ওপরে গেলে

    অতিরিক্ত উচ্চ শর্করাও সমান বিপজ্জনক। সুগার ১৬.৭ মিলিমোল/লিটার ছাড়ালে রোজা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।

    অস্বাভাবিক দুর্বলতা: অতিরিক্ত ক্লান্তি, চোখে ঝাপসা দেখা, বুক ধড়ফড় বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি হলে রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ।

    বমি, ডায়রিয়া বা জ্বর হলে: রোজা রাখা অবস্থায় শরীরে পানিশূন্যতা দ্রুত বাড়ে। ডিহাইড্রেশন ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। তাই অসুস্থ অবস্থায় রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

    আগে থেকেই যাদের উচ্চ ঝুঁকি আছে: টাইপ–১ ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত সুগার, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, কিডনি বা হৃদ্‌রোগ থাকলে রোজা রাখার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

    তাই বলা যায়, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা রাখা সম্ভব, তবে কিছু শর্ত হলো সচেতনতা ও নিয়মিত মনিটরিং। ধর্মীয় দায়িত্বের পাশাপাশি নিজের শরীরের নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।তাই সন্দেহ হলে দেরি নয় - চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…