এইমাত্র
  • এক নেত্রীর ঠাঁই মানুষের হৃদয়ে, আরেকজনের বিতাড়িত ভূমিতে: আসিফ নজরুল
  • তিন দিবসের বাজার ঘিরে শঙ্কায় ফুলের রাজ্যের চাষিরা
  • মাগুরায় সংঘাত এড়াতে পুলিশের অভিযান; আটক ২১
  • গাজীপুরে পুকুর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার
  • ফুলবাড়ীতে মরিচের বাম্পার ফলন
  • ঠাকুরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধ, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়ের
  • উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ জনের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক
  • চুয়াডাঙ্গা–২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ
  • কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতা নূরুল মিল্লাতের ইন্তেকাল
  • বাকৃবিতে ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী শুরু
  • আজ শনিবার, ৩ মাঘ, ১৪৩২ | ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    মিরসরাইয়ে দুই নারী পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই

    জাবেদুল ইসলাম, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
    জাবেদুল ইসলাম, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

    মিরসরাইয়ে দুই নারী পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই

    জাবেদুল ইসলাম, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

    চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মালিয়া ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন বয়োবৃদ্ধ দুই সহোদরা—আছিয়া ও খাদিজা। স্বামী-সন্তানহীন এই দুই অসহায় নারীর মাথা গোঁজার মতো কোনো স্থায়ী আশ্রয় ছিল না। বর্ষায় বৃষ্টির পানি, রোদে প্রচণ্ড তাপ আর শীতের তীব্রতা সহ্য করেই কাটছিল তাঁদের দিন।

    সম্প্রতি ১৩ নম্বর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নজরে আসে এই মানবিক বিষয়টি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অসহায় দুই নারীর জন্য একটি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় এক মাসের প্রচেষ্টায় দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনের ঘর নির্মাণ করে দেন।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) মিরসরাই জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরটির চাবি অসহায় দুই নারীর হাতে তুলে দেন।

    চাবি হস্তান্তরকালে অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন,“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। তবে এসব মানবিক কাজ আমরা সচরাচর প্রচার করি না। ভালো কাজের পাশাপাশি ভালো কাজগুলো প্রচার হওয়াও জরুরি, এতে অন্যরাও উৎসাহিত হয়ে মানবসেবায় এগিয়ে আসতে পারে।”

    নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত আছিয়া বলেন,“আগে আমাদের একটা ভাঙা ঘর ছিল—বেড়া ভাঙা, টিনের চালে অসংখ্য ছিদ্র। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে কাঁথা-বালিশ ভিজে যেত। শীতের রাতে উত্তরের বাতাস ঘরে ঢুকে পড়ত, শীত নিবারণ করা অসম্ভব হয়ে যেত। জামায়াতের লোকজন আমাদের জন্য ঘর করে দিয়েছে। এক পাশে আমি থাকব, আরেক পাশে আমার বোন খাদিজা। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি।”

    তিনি আরও বলেন,“আমাদের আরেক বোন আছে, তার ঘরটিও খুব খারাপ অবস্থায় আছে। যদি তার জন্যও একটি ঘর করে দেওয়া যেত, তাহলে সেও ভালোভাবে থাকতে পারত।”

    এ বিষয়ে জামায়াতের স্থানীয় দায়িত্বশীলরা জানান,“আমরা নিজেদের পকেটের টাকা থেকেই এই দুই বোনের জন্য ঘরটি নির্মাণ করেছি। ভবিষ্যতে সামর্থ্য হলে অপর বোনের ঘরটিও করে দেওয়ার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।”

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…