আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেশের ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি মনোবয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি বাতিল হয়েছে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র।
এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন শুরু হয়েছে। আপিল আবেদন জমা দেওয়া যাবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর আপিল আবেদন গ্রহণের জন্য নির্বাচন ভবনের সামনে অঞ্চলভিত্তিক বুথ তৈরি করেছে ইসি। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে ইসি আপিল নিষ্পত্তি করবে।
সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে আপিল গ্রহণের জন্য পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। রংপুর অঞ্চল: বুথ-১ (আসন ১-৩৩), রাজশাহী অঞ্চল: বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২), খুলনা অঞ্চল: বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮), বরিশাল অঞ্চল: বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চল: বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭), ঢাকা অঞ্চল: বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮), ফরিদপুর অঞ্চল: বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩), সিলেট অঞ্চল: বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২), কুমিল্লা অঞ্চল: বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭) ও চট্টগ্রাম অঞ্চল: বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০)।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এটি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যা বিবেচনায় এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।
আজ দুপুর দুইটা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফরিদপুর অঞ্চলে ৪ টি, ঢাকায় ৪ টি, রংপুরে ২ টি, খুলনায় ১টি আবেদন জমা পড়েছে। একটিও আবেদন জমা পড়ে নি বরিশাল, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী অঞ্চলের বুথে। এসব অঞ্চলের বাদ পড়া প্রার্থীরা অনেকেই আবেদন জমা দিতে আসছেন। তবে অনেকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কম থাকার কারণে আবেদম জমা নেয়া হয় নি।
২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর পর থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার। ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
আরডি