এইমাত্র
  • ক্র্যাবের সভাপতি তমাল, সাধারণ সম্পাদক বাদশাহ
  • মেহেরপুরে এনসিপি ও জামায়াতের মতবিনিময়
  • সুন্দরবনে অপহৃত পর্যটকসহ ৩ জন উদ্ধার
  • হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
  • ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন শফিউল ইসলাম
  • ঢাকা-১২ আসনে ‘সবচেয়ে গরিব’ প্রার্থী আমজনতার তারেক রহমান
  • মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
  • বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
  • চলনবিলে অবাঞ্ছিত কচুরিপানায় কৃষকদের ভোগান্তি
  • মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল গ্রহণ চলছে
  • আজ সোমবার, ২২ পৌষ, ১৪৩২ | ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যায় জামাইসহ দুইজন আটক

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

    বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যায় জামাইসহ দুইজন আটক

    বিল্লাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

    যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের জামাই পরশসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন: যশোর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর ছেলে বাসেদ আলী পরশ (২৯) এবং শংকরপুর ইসহাক সড়কের মতিন দারোগার ছেলে আসাবুল ইসলাম সাগর (৫২)।

    রবিবার (৪ জানুয়ারি) নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম উল্লিখিত দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩–৪ জনের নামে থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম প্রেসব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে এসব তথ্য দেন।

    পুলিশ সুপার জানান, ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যারাতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন খুন হন শহরের শংকরপুর ইসহাক সড়কে। ঘটনার পর পুলিশ বিভিন্ন টিম গঠন করে সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরা থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। এরপর নেপথ্যের কারিগর হিসেবে দুইজনকে চিহ্নিত করে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার আরও জানান, আসামি পরশ নিহতের জামাই। তাদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। পরশের স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। একসময় তাদের বিবাহবিচ্ছেদও হয়ে যায়। পরে সামাজিকভাবে সেই বিরোধ মিমাংসা করা হয়। এছাড়া জমিজমা নিয়ে পরশের ও নিহতের মধ্যে বিরোধ ছিল। মাসখানেক হলো পরশের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে পরশ নানাভাবে হুমকি প্রদান করছিলেন।

    অপর আসামি আসাবুল ইসলাম সাগর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে হামলা চালান। জাহাঙ্গীর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। হামলার সময় নিহত আলমগীর হোসেন তাকে বাধা দেন। এই ঘটনায় সাগর আলমগীরকে নানাভাবে হুমকি ধামকি দেন। এমনকি ফেসবুক মেসেঞ্জারেও হুমকি ধামকি পাঠান। পুলিশের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সাগর ও পরশের যোগসাজসে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

    পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম এজাহারে এই দুইজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাই তাদেরকে আটক করা হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মূল খুনিদের পরিচয় প্রকাশ পাবে। পুলিশ সেই লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং অস্ত্র উদ্ধারেও তৎপর রয়েছে।

    উল্লেখ্য, আসামি বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরকে গত ৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে আটক করা হলেও পুলিশ জানায়, পরের দিন রোববার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে আটক করা হয়েছে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সুপার আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল আহসান হাবীব ও ডিবি পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।

    এদিকে, আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের মূল শুটারদের এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ। দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন গুলি চালিয়ে পালিয়েছে এবং তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    উল্লেখ্য, শনিবার (৩ জানুয়ারি) যশোর শহরের শংকরপুর ইসহাক সড়কে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপির পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন (৫৩) নিহত হন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে হুদা মেমোরিয়াল অ্যাকাডেমির গেট ও সাবেক কাউন্সিলর শাহিদ হোসেন নয়নের অফিসের মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছুলে, পেছন থেকে মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা আলমগীর হোসেনের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়।

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…