উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রির নিচে। সঙ্গে হিমেল হাওয়া আর বৃষ্টির মতো ঝরছে শীত। এই দুর্বিষহ ঠান্ডায় সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন দরিদ্র ও বৃদ্ধ মানুষগুলো। তাদেরই দু’জন হলেন কুড়িগ্রামের কছিরন ও আম্বিয়া বেগম।
জীবনের শেষ বয়সে এসে এই দুই বৃদ্ধার ভাগ্যে নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, নেই একটি উষ্ণ কম্বল। জরাজীর্ণ ঘরের ভেতর ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে রাত কাটে তাদের। শীত নিবারণের মতো যা আছে, তা দিয়ে আর শরীর ঢাকে না।
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো—এই দুই মায়ের রয়েছে ছেলে সন্তান, কিন্তু তারা কেউই মায়ের খোঁজ নেন না। শীতে কাঁপতে থাকা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর মতো আপনজনও নেই।
কছিরন বেগম কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “শরীর আর সয় না ঠান্ডা, একটা কম্বল হলে হয়তো বাঁচতাম।”
অন্যদিকে অসুস্থ আম্বিয়া বেগম শুয়ে থাকেন পাতলা কাপড় গায়ে। শীতের রাতে ঘুম আসে না তার। চোখে জল জমলেও মুছবার মতো কেউ নেই।
স্থানীয়রা জানান, তীব্র শীত শুরু হলেও এখনো এই দুই অসহায় বৃদ্ধার ভাগ্যে কোনো সহায়তা পৌঁছেনি। অবিলম্বে কম্বল ও শীতবস্ত্র না পেলে তাদের জন্য শীত আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কছিরন ও আম্বিয়া বেগম শুধু দু’জন মানুষ নন—তারা আমাদের সমাজের বিবেকের প্রশ্ন। এই শীতে কি আমরা তাদের পাশে দাঁড়াবো না?
’সময়ের কন্ঠস্বরের মাধ্যমে কছিরন বেগম ও আম্বিয়া বেগমসহ কুড়িগ্রামের শীতার্ত অসহায় মানুষজনের পাশে দাড়াতে চাইলে যোগাযোগ- ০১৭১৩২০০০৯১।
এফএস