এইমাত্র
  • অধিকারের প্রশ্নে আপস নয়: বিসিবি সভাপতি
  • ভারতের ভিসা জটিলতায় পাঁচ দেশ, আইসিসিকে চিঠি
  • ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সূচি ঘোষণা
  • ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র
  • যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী অভিযানে নারীকে গুলি করে হত্যা
  • বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্টকে হত্যার ষড়যন্ত্র, রুখে দিলো গোয়েন্দা সংস্থা
  • আগ্রাসী আচরণ করলে ‘হাত কেটে ফেলার’ হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের
  • সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
  • শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির প্যানেলের জয়
  • ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ | ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    ১৪ বছর অপেক্ষার পর ঢাকা-করাচি ফ্লাইট চালু হচ্ছে ২৯ জানুয়ারি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ পিএম

    ১৪ বছর অপেক্ষার পর ঢাকা-করাচি ফ্লাইট চালু হচ্ছে ২৯ জানুয়ারি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও ঢাকা–করাচি রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা–করাচি–ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে তারা জানায়, প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে সপ্তাহে দুইদিন এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এ সময়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এর আগে, পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি ঢাকা–করাচি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে এবং নির্ধারিত করিডোর ব্যবহার করে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও দিয়েছে বিমানকে।

    বিমান জানায়, এই রুট পুনরায় চালুর বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। সবকিছু চূড়ান্ত হলে ২০১২ সালের পর আগামী ২৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো ঢাকা–করাচি রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে।

    বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ভ্রমণকারী যাত্রীদের বেশির ভাগকেই দুবাই বা দোহা হয়ে ট্রানজিট ফ্লাইটে যাতায়াত করতে হয়। 

    জিউ নিউজের খবরে বলা হয়, ফেডারেল সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পর সিএএ মহাপরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট পরিচালনার ছাড়পত্র দেন।

    প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত এই অনুমোদন কার্যকর থাকবে।

    পাকিস্তানের আকাশসীমার অনুমোদিত রুট ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বিমান বাংলাদেশকে।

    পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কর্মকর্তারা জানান, পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারকালে বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইট বিবরণ সরবরাহ করারও শর্ত দেওয়া হয়েছে।

    ঢাকা থেকে আকাশপথে করাচির দূরত্ব প্রায় ২ হাজার ৩৭০ কিলোমিটার। তবে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় এয়ারলাইন্সগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় ট্রানজিট নিয়ে যেতে হয় পাকিস্তানে।

    ট্রানজিট ফ্লাইটের কারণে ২০১৯ সালের ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকার ভাড়া বর্তমানে গড়ে লাখ টাকা ছাড়িয়েছে।

    বর্তমানে এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, ফ্লাই দুবাই, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, থাই এয়ারওয়েজসহ কয়েকটি এয়ারলাইনস বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ট্রানজিট ফ্লাইট পরিচালনা করে।

    ট্রানজিটের সময়সহ ঢাকা থেকে পাকিস্তানের করাচি যেতে গড়ে আট থেকে ১২ ঘণ্টার মতো লাগে। কিছু এয়ারলাইনসে ১৮ থেকে ২২ ঘণ্টাও লেগে যায়। এই রুটে ইকোনমি ক্লাসে রিটার্নসহ ভাড়া পড়ে ৮৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…