এইমাত্র
  • ইরানে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে গুলি, ২ হাজার নিহতের শঙ্কা
  • সহনশীলতা বজায় রেখে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি
  • যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬
  • ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ ভাবছেন ট্রাম্প
  • মার্কিন সেনা নিহতের জেরে সিরিয়ায় ফের বড় আকারের অভিযান চালাল যুক্তরাষ্ট্র
  • মাদুরোর মতো পুতিনকেও তুলে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যা জানালেন ট্রাম্প
  • এবার দ. কোরিয়ার ড্রোন ভূপাতিতের দাবি উ. কোরিয়ার
  • বনশ্রীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা
  • সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় তারেক রহমানের
  • ফটিকছড়িতে বন কর্মকর্তাদের উপর হামলা, আহত ৪
  • আজ রবিবার, ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করল সেনাবাহিনী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

    ইরানে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করল সেনাবাহিনী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশটির আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করেছে। শনিবার শনিবার (১০ জানুয়ারি) পৃথক বিবৃতিতে এই রেড লাইন ঘোষণা করে আইআরজিসি ও সেনাবাহিনী।

    রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতেতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, “গত দু’রাত ধরে সন্ত্রাসীরা সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর ঘাঁটিগুলো দখলের চেষ্টা করছে, বেশ কয়েকজন নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা-কর্মীকে হত্যা করেছে এবং সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ করছে।”

    “ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির নিরাপত্তার স্বার্থে আইআরজিসি ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করছে। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতির চেষ্টা করলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    পৃথক এক বিবৃতিতে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী জানিয়েছে, “ইরানের জাতীয় স্বার্থ, কৌশলগত অবকাঠামো এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সেনাবাহিনী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

    প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর ধরে ইরানের মুদ্রা ইরানি রিয়েলের অবনতি, তার জেরে অসহনীয় মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় নাভিশ্বাস উঠছিল ইরানের সাধারণ জনগণের। এই পরিস্থিতিতে গত ২৮ ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দেন রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচারা ব্যবসায়ীরা। সেই ধর্মঘট থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত।

    এরপর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সবগুলো শহর-গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ এবং দিনকে দিন বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পুরো দেশকে কার্যত অচল করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

    ইরানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারও বিক্ষোভ দমাতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব শহরে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের। গতকাল দেশের ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে সরকার।

    মার্কিন সাময়িকী টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের গত ১৩ দিনে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ শতাধিক মানুষ।

    এদিকে, ইরানে বিক্ষোভের শুরু থেকেই ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারকে ট্রাম্প এই মর্মে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন যে সরকার কঠোর পন্থায় আন্দোলন দমনের উদ্যোগ নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবেন তিনি। এ পর্যন্ত চারবার এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    সূত্র : এএফপি

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…