এইমাত্র
  • ইরানে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে গুলি, ২ হাজার নিহতের শঙ্কা
  • সহনশীলতা বজায় রেখে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি
  • যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬
  • ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ ভাবছেন ট্রাম্প
  • মার্কিন সেনা নিহতের জেরে সিরিয়ায় ফের বড় আকারের অভিযান চালাল যুক্তরাষ্ট্র
  • মাদুরোর মতো পুতিনকেও তুলে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যা জানালেন ট্রাম্প
  • এবার দ. কোরিয়ার ড্রোন ভূপাতিতের দাবি উ. কোরিয়ার
  • বনশ্রীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা
  • সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় তারেক রহমানের
  • ফটিকছড়িতে বন কর্মকর্তাদের উপর হামলা, আহত ৪
  • আজ রবিবার, ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    ইবি আইসিটি বিভাগের ‘রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী’ উদযাপন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

    ইবি আইসিটি বিভাগের ‘রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী’ উদযাপন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

    ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগ।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। পরে বিভাগের সামনে থেকে একটি আনন্দ র‍্যালি বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে সমবেত হয়।

    এ সময় আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।

    অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইসিটি বিভাগের রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী–২০২৫-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন। এ ছাড়া আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণার মান সরাসরি জড়িত। আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে সেই মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে।

    উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী বলেন, রজতজয়ন্তী শুধু একটি সময়কাল পূর্তির স্মারক নয়; এটি একটি বিভাগের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা, অর্জন ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতিফলন। ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগ শুরু থেকেই গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, মানুষের শিক্ষাজীবনের শেষ ধাপ হলো বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকেই জীবনের প্রকৃত রূপান্তর শুরু হয়। যারা এই রূপান্তরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন, তারাই জীবনের সর্বোচ্চ সফলতার শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হন।

    আইসিটি বিভাগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যেমন পৃথিবীকে বদলে দিয়েছে, তেমনি এই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই সেই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান অনুঘটক।

    তিনি গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন, আইসিটি বিভাগ ইতোমধ্যেই সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এ বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

    বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ জানান, “আমাদের বিভাগ শুরু থেকেই সফলতার সাক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে একটি এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হবে, যা বিভাগের অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে।”

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…