এইমাত্র
  • শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, ফোনে যাবে কল!
  • যশোর ডিসি অফিস চত্বরে টিকটক নিষিদ্ধ
  • চাঁদা না পেয়ে শ্রমিককে মারধরের ঘটনায় 'ট্যাটু সোহেল' গ্রেফতার
  • বেকসুর খালাস পেলেন ইরাকে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক বাংলাদেশি
  • নিরাপত্তা শঙ্কায় ২ ম্যাচ দর্শকশূণ্য থাকবে আইপিএল
  • বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের কথা জানালেন ভারতের সেনাপ্রধান
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে: কাতার
  • গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান
  • জলবায়ু গবেষণায় এলজিইডির ক্রিলিক ও পাঁচ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের চুক্তি
  • বিপিএলে ঢাকা পর্বের ম্যাচগুলোর সময়সূচি
  • আজ মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ, ১৪৩২ | ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    শরীয়তপুরের আলোচিত শিশু নিবিড় হত্যায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

    শরীয়তপুরের আলোচিত শিশু নিবিড় হত্যায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

    শরীয়তপুরে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে শিশু শিক্ষার্থী হৃদয় খান নিবিড় (১১) হত্যার দায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় এক কিশোরকে ২১ বছরের আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শরীয়তপুর সদর উপজেলার খিলগাঁও এলাকার শাকিল হোসেন গাজী (১৯) এবং সিংগা এলাকার সিয়াম হোসেন (২০)।

    অপরদিকে, খিলগাঁও এলাকার ১৬ বছর বয়সী কিশোর তুহিনের বিচার শিশু আদালতে হওয়ায় তাকে ২১ বছরের আটকাদেশ দেওয়া হয়।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই হৃদয় খান নিবিড় নিখোঁজ হয়। সে সদর উপজেলার খিলগাঁও এলাকার মনির খানের ছেলে। নিখোঁজের ঘটনায় ওই রাতেই তার মা নিপা আক্তার পালং মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    পরদিন রাতে দুর্বৃত্তরা নিপা আক্তারের মোবাইলে ফোন করে হৃদয়কে অপহরণের কথা জানায় এবং মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। মুক্তিপণ দাবির ফোন নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাকিল হোসেন গাজী, সিয়াম হোসেন ও ওই কিশোরকে আটক করে।

    আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট জেলা শহরের একটি ইটভাটা থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় হৃদয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় নিহতের দাদা মমিন আলী খান বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে শরীয়তপুর চিফ জুডিসিয়াল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামিরা।

    মামলাটি প্রথমে পালং মডেল থানার এক কর্মকর্তা তদন্ত করেন। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে। পিবিআই ২০২৪ সালের ১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

     নিহত হৃদয়ের মা নিপা আক্তার বলেন, ‘ওরা টাকার জন্য আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আড়াই বছর ধরে সন্তানের জন্য হাহাকার করছি। একটি রাতও শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি। একজনকে শিশু দাবি করে যে রায় দেওয়া হয়েছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। সেই ছিল মূল পরিকল্পনাকারী। রাষ্ট্রের কাছে আমার আবেদন- আসামিরা যেন উচ্চ আদালতে গিয়ে কোনোভাবে খালাস না পায় এবং দ্রুত রায় কার্যকর করা হয়।’

    এ বিষয় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কামরুল হাসান বলেন, ‘মামলায় একজনের বিচার শিশু আদালতে হওয়ায় তাকে ২১ বছরের আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে। অপর দুইজনের বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে হয়েছে এবং তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেছিল। আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…