এইমাত্র
  • নিউক্যাসলের দূর্গ গুঁড়িয়ে সিটির জয়
  • উত্তর-পূর্ব থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ে নিহত ২২, আহত ৩০
  • আলোনসোর চাকরি বাঁচাতে মরিয়া ছিলেন এমবাপে!
  • ইসিতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি চলছে
  • সার্ভিস লাইনে লিকেজ, রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
  • বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে
  • পাসপোর্ট ইনডেক্সে বাংলাদেশের উন্নতি
  • যুদ্ধবিমান কিনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া
  • রাজধানীর তিন পয়েন্টে শিক্ষার্থীদের অবরোধ আজ
  • নির্বাচন ঘিরে ভুয়া তথ্য, জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
  • আজ বুধবার, ১ মাঘ, ১৪৩২ | ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫১ এএম

    মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫১ এএম

    মিশর, লেবানন ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে, যা মূলত ট্রাম্পের পূর্ববর্তী একটি নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন।

    মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জর্ডান ও মিশরের শাখাকে ‘বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ বা এফটিও  হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। 

    ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কারণেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে যে, ব্রাদারহুডের শাখাগুলো নিজেদের বৈধ সামাজিক সংগঠন হিসেবে দাবি করলেও তারা নেপথ্যে হামাসের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করে।

    যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংগঠনগুলোর জন্য বড় ধরনের আইনি ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হবে। এখন থেকে এই দলগুলোকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেয়া অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং তাদের আয়ের উৎস বন্ধ করতে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। বিশেষ করে লেবাননের শাখাটি এফটিও তালিকায় থাকায় তাদের কোনো সদস্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।

    ১৯২৮ সালে হাসান আল-বান্নার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুড মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে মিশরের ক্ষমতায় থাকা এবং পরবর্তীতে সামরিক অভ্যুত্থানের মুখে পড়ার পর থেকেই কায়রো প্রশাসন তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ব্রাদারহুডের শাখাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল এবং লেবাননের শাখাটি হিজবুল্লাহর সাথে সংহতি প্রকাশ করে ইসরায়েল বিরোধী ফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল।

    এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে লেবাননের পার্লামেন্ট সদস্য ইমাদ আল-হুত জানিয়েছেন, তাদের সংগঠন একটি বৈধ রাজনৈতিক দল এবং এর সাথে বিদেশি কোনো শক্তির সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, কোনো রাজনৈতিক দলের মূল্যায়ন কেবল দেশের সংবিধান অনুযায়ী হওয়া উচিত, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নয়। মিশরের ব্রাদারহুড শাখাও এই আদেশের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দাবি করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর চাপের মুখে পড়েই ট্রাম্প প্রশাসন এই পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও এই আদেশের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। টেক্সাস ও ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নররা মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শীর্ষস্থানীয় নাগরিক অধিকার সংস্থা ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস’ বা সিএআইআর-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও সিএআইআর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে এবং সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…