এইমাত্র
  • নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত: প্রণয় ভার্মা
  • গণভোটের রায় আদালতে নিলে রাজপথে নামবে জনগণ: নাহিদ ইসলাম
  • ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
  • ডিএমপির সাবেক কমিশনারসহ ৫ জনের রায় আজ
  • খামেনিকে সমাহিত করা হবে মাশহাদ শহরে
  • শুরুতেই সব অস্ত্র প্রয়োগ করার ইচ্ছা নেই: ইরান
  • ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা
  • বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
  • ইরানে এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি বেসামরিক নিহত
  • লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ছয়জন নিহত, আহত আট
  • আজ বুধবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    বাকৃবিতে ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী শুরু

    মো. রিয়াজ হোসাইন, বাকৃ‌বি প্রতি‌নি‌ধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
    মো. রিয়াজ হোসাইন, বাকৃ‌বি প্রতি‌নি‌ধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

    বাকৃবিতে ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী শুরু

    মো. রিয়াজ হোসাইন, বাকৃ‌বি প্রতি‌নি‌ধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

    "দূরত্ব যতই হোক, ভালোবাসা থাকে অটুট" এই মন্ত্র ধারণ করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে।


    শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিটি হেলিপ্যাড থেকে শুরু হয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনের সামনে দিয়ে কেআর বাজার প্রদক্ষিণ করে সমাবর্তন চত্ব্বরের সামনে এসে শেষ হয়।


    এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাকৃ‌বির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীমসহ ওই ব্যাচের শিক্ষার্থী ও তাদের সন্তানরা।


    স্মৃতিচারণ করে অংশগ্রহণকারী মাসুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পরীক্ষা ও ভাইভাগুলো আমাকে এখনও আবেগাপ্লুত করে। ভাইভায় ভুল তথ্য উপস্থাপন করা কিংবা শিক্ষকদের বকা মনে হলে চোখে পানি চলে আসে। আমরা সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের অবদানের কারণেই আজ আমরা এই অবস্থানে পৌঁছেছি।


    আরেক শিক্ষার্থী শিল্পী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। পাশাপাশি ছিল কিছু দুঃখও। মাত্র ১ নম্বরের জন্য আমি ফার্স্ট ক্লাস পাইনি, যেখানে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ নম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আমাদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। বিষয়টি আমাকে খুব পীড়া দিয়েছে। তবে পিএইচডি করার সুযোগ পাওয়ার পর সব কষ্ট ভুলে গেছি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনুরোধ করব, কেউ যেন এমন বৈষম্যের শিকার না হন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমাদের আরও মনোযোগী হতে হবে।


    প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, এই আয়োজনটি অত্যন্ত নান্দনিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়া, কথা বলা সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসে এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তবে সবাইকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।


    ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ব্যাচের রিইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হলেও আজকের আয়োজনটি অন্য সবার থেকে ভিন্ন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ক্যাম্পাসে নীয়ন আলোর সাজ পুরো পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। কেউ যেন কোনো খারাপ স্মৃতি নিয়ে না যায়, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…