এইমাত্র
  • তিন দিবসের বাজার ঘিরে শঙ্কায় ফুলের রাজ্যের চাষিরা
  • মাগুরায় সংঘাত এড়াতে পুলিশের অভিযান; আটক ২১
  • গাজীপুরে পুকুর থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার
  • ফুলবাড়ীতে মরিচের বাম্পার ফলন
  • ঠাকুরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধ, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়ের
  • উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ জনের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক
  • চুয়াডাঙ্গা–২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ
  • কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতা নূরুল মিল্লাতের ইন্তেকাল
  • বাকৃবিতে ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী শুরু
  • ‘জামায়াত এ দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়’
  • আজ শুক্রবার, ৩ মাঘ, ১৪৩২ | ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
    কৃষি ও প্রকৃতি

    ফুলবাড়ীতে মরিচের বাম্পার ফলন

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

    ফুলবাড়ীতে মরিচের বাম্পার ফলন

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

    দেশের উত্তরের সীমান্তঘেঁষা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাড়তি ফলন ও ভালো দাম পেয়ে খুশি মরিচ চাষিরা।

    সরেজমিনে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের, গজেরকুটি, খলিশাকোঠাল, বালাতাড়ি, কুরুষাফেরুষা জাগিরটারী, গোরকমন্ডল, চর গোরকমন্ডলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দুচোখ যেদিকে যায় মরিচ আর মচির। মরিচ খেত যেন সবুজের সমারোহে কৃষকের স্বপ্ন পুরণে সবুজ সংকেত দেখা দেওয়ায় চাষিদের মাঝে হাসি ফুটেছে। শুধু মরিচই নয়, সব ধরণের রবিশস্যের চাষাবাদ করেই জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন এখানকার অধিকাংশ কৃষক। যে সকল চাষিদের নিজস্ব জমি নেই। সেই সকল কৃষকও অন্যের জমি লিজ/বর্গা নিয়ে মরিচসহ বিভিন্ন ধরণের রবিশস্যের চাষাবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন।

    এই চলতি মৌসুমে মরিচের বাম্পার ফলনসহ মরিচের ভালো দাম থাকায় চাষিরা মরিচ ক্ষেতে পরিচর্যা কাজ ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার কেউ কেউ ক্ষেতের মরিচ তুলছেন, অনেকেই আবার মরিচ বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।

    গজেরকুটি এলাকায় মরিচ চাষি আফজাল হোসেন ১ বিঘা ও একই এলাকায় মরিচ চাষি তাহের আলী ৬ বিঘা এবং মজিবর রহমান ৫ বিঘা জমিতে মরিচের চাষাবাদ করেছেন। তারা জানান এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই সাথে এবার মরিচের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে খেতেই বিক্রি করছেন। 

    আফজাল হোসেন নামের কৃষক জানান, ১ বিঘা জমিতে মরিচের চাষাবাদ খরচ হয় ৩০ হাজার  থেকে ৩৫ হাজার। বিক্রি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত 

    এক বিঘা জমিতে ৬৫ থেকে ৭০ মন মরিচ উৎপাদন হয়। 

    তিনি আরও জানান এক মাস আগেই এক জমিতে স্থানীয় পাইকারদের কাছে পুরো খেত ৭৫ হাজার টাকা বিক্রি করছেন। কোন কোন কৃষক ৬৫, ৮০ হাজারও বিক্রি করছেন। তিনি খেতে মরিচ বিক্রি করে ৪৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। 

    মজিবর রহমান নামের মরিচ চাষি আরও জানান, যে সকল কৃষক খেত বিক্রি না করে নারী শ্রমিক দিয়ে নিজের ক্ষেতের মরিচ তুলে নিজ এলাকা ও পাশের জেলা লালমনিরহাটের বড়বাড়িতে গিয়ে ২৫০০, ২৮০০,৩০০০ ও ৩৫০০ টাকা দরে মরিচের মন বিক্রি করছেন, সেই সকল কৃষকদের সব খরচ মিটিয়ে ১ বিঘায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার ও ১ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

    স্থানীয় পাইকার দুলাল মিয়া, মুসাব্বের আলী জানান, এ বছর তারা কৃষকদের কাছ থেকে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা মণে মরিচ ক্রয় করে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী গিয়ে মরিচ বিক্রি করে মন প্রতি ৫০০ ৭০০ কোন কোন দিন ৮০০ আয় হয়। এ বছর ঢাকা, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলায় মরিচের চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় মরিচ চাষিদের পাশাপাশি তারাও লাভের মুখ দেখছেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা: নিলুফা ইয়াছমিন জানান, উপজেলার ৬ ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষাবাদ হয়েছে। এ বছর অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যায় মরিচের কোন রোগ বালাইয়ের আক্রমণ নেই। ফলনও বাম্পার হয়েছে। সেই সাথে মরিচের ভালো দাম থাকায় চাষিরাও লাভবান হচ্ছে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…