মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের হুমকি দিয়ে বলেছেন, হামাসকে অবিলম্বে তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরাইলের সব মরদেহ ও বন্দি ফিরিয়ে দেওয়া এবং হামাসের পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা।
তিনি বলেন, এখন তারা এটি সহজেই করতে পারে, অথবা আমাদের কঠিন পথও নিতে হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, মিসর, তুরস্ক ও কাতারের সহায়তায় হামাসের অস্ত্রভাণ্ডার জব্দ করা হবে এবং তাদের টানেল নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা হবে। খবর আলজাজিরার।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্ভাব্য একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। একই সঙ্গে ইসরাইলি বন্দি রন গভিলির মরদেহ ফেরত দেওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে হামাস জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইলি সেনা উপস্থিত থাকলে তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না। ফিলিস্তিনিদের প্রধান দাবি হলো গাজা থেকে ইসরাইলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার। যুদ্ধবিরতিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। একই সঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের ক্ষেত্রেও ইসরাইল এখনো পূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যস্থতায় হওয়া এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির লক্ষ্য ছিল সাময়িক অস্ত্রবিরতি থেকে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়া। তবে নিরস্ত্রীকরণ, সেনা প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিয়ে অমীমাংসিত বিষয়গুলো পুরো প্রক্রিয়াটিকে এখনো অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে।
এনআই