আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে অভিজ্ঞ সেনেগাল ও স্বাগতিক মরক্কো। রাবাতে অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচে একদিকে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ধারাবাহিকতা, অন্যদিকে রয়েছে বিশ্বকাপের সাফল্যে উজ্জীবিত মরক্কোর স্বপ্ন।
এক অমর কাব্যের শেষ চরণে এসে দাঁড়িয়েছে স্বাগতিক মরক্কো। কাতার বিশ্বকাপে আফ্রিকার ইতিহাসে প্রথমবার চতুর্থ স্থান অধিকার করার পর থেকে তারা মহাদেশের সেরা দল হয়ে উঠেছে। এবার দেশের মাটিতে সোনালি শিরোপা ছুঁয়ে এই গল্পের রাজকীয় সমাপ্তি চাইছে ১৯৭৬ সালের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা। সেমিফাইনালে ১২০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর নাইজেরিয়াকে পেনাল্টি শুটআউটে হারিয়েছে আশরাফ হাকিমির দল।
এবার অর্ধশতাব্দী পর পুনরায় আফ্রিকার সিংহাসন দখলের হাতছানি ওয়ালিদ রেগরাগির শিষ্যদের সামনে। অন্যদিকে সেনেগাল দলটির প্রতিটি রন্ধ্রে মিশে আছে অভিজ্ঞতার ছাপ। আফকনের শেষ চার আসরের মধ্যে তিন বারই ফাইনালে উঠেছে তারা। ২০২২ সালে মিশরকে টাইব্রেকারে হারিয়ে প্রথমবার আফকনের ট্রফি জিতেছিল সেনেগাল। এবারও ফাইনালে আসার পথে সেই মিশরকেই পরাজিত করেছে তারা। আর সেই জয়ের নায়ক আবারও সাদিও মানে। তার একমাত্র গোলই বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ফাইনালে তুলেছে।
মরক্কোর শিবিরে অবশ্য বড় কিছু অনুপস্থিতি আছে। ইনজুরির কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন আজেদিন উনাহি। অধিনায়ক রোমাঁ সাইস ও মাঝমাঠের নেতা সফিয়ান আমরাবাতও খেলবেন না ফাইনালে। অন্যদিকে সেনেগাল দলে বড় কোনো ইনজুরি নেই। তবে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে দুটি করে হলুদ কার্ড পাওয়ায় ফাইনালে নিষিদ্ধ হয়েছেন অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি ও মিডফিল্ডার হাবিব দিয়ারা।
অন্যদিকে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরের উত্তেজনাও বাড়িয়ে দিয়েছে সেনেগাল। তাদের ফুটবল ফেডারেশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে, রাবাতে দল পৌঁছানোর পর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেওয়া হয়নি। হোটেল নিয়ে জটিলতা, অনুশীলনের মাঠ নির্ধারণে দেরি, এমনকি সমর্থকদের জন্য টিকিট বরাদ্দ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা।
ইখা