কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় একসময় সংবাদপত্রের পাঠকসংখ্যা ছিল আশপাশের অনেক উপজেলার তুলনায় বেশি। নিয়মিত পাঠকের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও দৈনিক পত্রিকা পৌঁছে যেত। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মেঘনা উপজেলা থেকে ভাটেরচর সড়কের প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার অংশের বেহাল অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এখন সেখানে পত্রিকার হকার পাওয়া যাচ্ছে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার পত্রিকার ডিলার মোহাম্মদ আলী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকা সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। তবে হকারের অভাবে বর্তমানে মেঘনা উপজেলায় পত্রিকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। একটা সময় মেঘনা উপজেলায় প্রচুর পত্রিকা যেত, পাঠকসংখ্যাও ছিল সন্তোষজনক। কিন্তু এখন রাস্তার বেহাল দশার কারণে হকার খুঁজে পাওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, “শুনেছি ওই রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের কাজ চলছে। যদি কাজ শেষ হয়, তাহলে বেতন দিয়ে হলেও একজন হকার রাখবো। আর যদি এখনই হকার পাওয়া যায়, তাহলেও নিয়ে নিবো। মেঘনাতে আবার আগের মতো সংবাদপত্রের পাঠকসংস্কৃতি জাগিয়ে তুলতে চাই।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেঘনা উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, “আশা করছি এই রাস্তাটির মেরামতকাজ খুব শিগগিরই সম্পন্ন হবে।”
এসআর