‘বৈষম্যমুক্ত’ নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মাদারীপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলা কর্মসূচিতে সদর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা না হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জীবনযাপন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতন কাঠামোতে ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখাও দুষ্কর হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রিপন বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর দিকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়, আমরা দীর্ঘদিন ধরে তীব্রভাবে বঞ্চিত। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ থাকলেও পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও পেশাভিত্তিক খাতে স্বতন্ত্র পে-স্কেল থাকলেও আমাদের ক্ষেত্রে তা নেই।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ২০১৫ সালের পর আর কোনো নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। প্রায় এক যুগ আগের বেতন কাঠামো বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমরা দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন চাই। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বিক্ষোভ চলাকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। তারা পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নানা স্লোগান দেন। বক্তারা জানান, দাবি আদায় না হলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।
ইখা