ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৭ সালে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ইসরাইল সফর করেছিলেন তিনি। প্রায় ৯ বছর পর আগামী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুইদিনের সরকারি সফরে যাচ্ছেন। খবর আল জাজিরার।
সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে তেল আবিবের নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদনের পর ভারতসহ বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ ইসরাইলের নিন্দা জানিয়েছিল। আর এর মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির তেল আবিরের সফরের বিষয়টি সামনে এল।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইল সরকারের আগ্রাসন সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিখাতে ভারত ও ইসরাইলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। যদিও কয়েক দশক ধরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সমর্থন দিয়ে আসছে নয়াদিল্লি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলার পর থেকে একাধিক পশ্চিমা নেতা নেতানিয়াহুর সাথে ইসরাইলে গিয়ে সাক্ষাৎ করলেও মোদির সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জেরুজালেমে এক অনুষ্ঠানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী সপ্তাহে ইসরাইল সফর করবেন।
তিনি আরও জানান, ‘আমরা আমাদের জোটকে শক্তিশালী করতে কাজ করছি। আগামী সপ্তাহে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নরেন্দ্র মোদি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী—একটি বিশাল বৈশ্বিক শক্তির নেতা—ইসরাইল সফর করবেন।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে পারে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
আগামী কয়েক বছরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির সফর ঘিরে দুই দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইল ভারতকে সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে।
এমআর-২